ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বিগ-বি জোরদার করছে বাংলাদেশ-জাপান বাংলাদেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে জোর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যার অভিযোগে নরখাদক গ্রেপ্তার সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ২১, আহত ৪০ চীনে পাচারের ভয়ংকর ফাঁদ: রাজধানী থেকে ১২ পাহাড়ি নারী উদ্ধার রাশিয়ার অর্থায়নে পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণের প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি জাপানি বিনিয়োগে ২ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অরুণাচলে ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে চীনা সেনা

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 113

ছবি সংগৃহীত

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরে রাষ্ট্রপতি লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি ওয়াকওয়ে, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ঐতিহাসিক চিত্র, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা, মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি এবং গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। তবে এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে। শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনো শোধ করতে পারবে না। দেশে যেন আর কখনো এ ধরনের মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনসামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। শহীদদের চিঠি, স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

পরে জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন রাষ্ট্রপতি এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  বাপ-মায়ের পর জাতিসংঘে বগুড়ার ছোল

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরে রাষ্ট্রপতি লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি ওয়াকওয়ে, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ঐতিহাসিক চিত্র, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা, মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি এবং গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। তবে এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে। শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনো শোধ করতে পারবে না। দেশে যেন আর কখনো এ ধরনের মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনসামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। শহীদদের চিঠি, স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

পরে জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন রাষ্ট্রপতি এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।