ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে শিবগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত বাংলাদেশ-হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমাতে ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরে গিয়ে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি, দেখলেন প্রামাণ্যচিত্র হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২ সেনাসদস্য রাজধানীর যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য-মাননীয়’ নয় স্থানীয় নির্বাচনে আইনে বাধা না থাকলে সবাই প্রার্থী হতে পারবেন: সিইসি

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14

ছবি সংগৃহীত

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে এমপি পদ থাকবে না: চিফ হুইপ

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরে রাষ্ট্রপতি লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি ওয়াকওয়ে, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ঐতিহাসিক চিত্র, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা, মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি এবং গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। তবে এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে। শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনো শোধ করতে পারবে না। দেশে যেন আর কখনো এ ধরনের মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনসামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। শহীদদের চিঠি, স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

পরে জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন রাষ্ট্রপতি এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  গণমাধ্যম বাঁচলেই গণতন্ত্র বাঁচবে: রাষ্ট্রপতি

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরে রাষ্ট্রপতি লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি ওয়াকওয়ে, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ঐতিহাসিক চিত্র, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা, মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি এবং গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। তবে এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে। শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনো শোধ করতে পারবে না। দেশে যেন আর কখনো এ ধরনের মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনসামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। শহীদদের চিঠি, স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

পরে জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন রাষ্ট্রপতি এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।