ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে জাপানের বড় জয়, বিদায় তিউনিসিয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 23

ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১০০০তম ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে জাপান। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বজায় রেখে ৪-০ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। এই পরাজয়ে টুর্নামেন্টে তিউনিসিয়ার পথ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জাপান। দ্রুতগতির আক্রমণ, নিখুঁত পাসিং এবং বল দখলে শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তারা।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে কেইতো নাকামুরা বক্সের ভেতরে বল বাড়িয়ে দিলে দাইচি কামাদা নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন। শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় তিউনিসিয়া।

আরও পড়ুন  জাপানের সহায়তা ও বিনিয়োগে জোর দিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের আহ্বান

প্রথমার্ধের ৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। কো ইতাকুরার পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে গোল করেন আয়াসে উয়েদা। প্রথমার্ধ শেষ হয় জাপানের ২-০ গোলের লিড নিয়ে।

বিরতির পরও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রাখে জাপান। তিউনিসিয়া আক্রমণে ফেরার চেষ্টা করলেও সংগঠিত রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে সামুরাই ব্লুরা।

ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে জুনইয়া ইতো ব্যবধান ৩-০ করেন। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া পাস কাজে লাগিয়ে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে তিনি গোল করেন।

জয়ের ব্যবধান আরও বড় হয় ৮৪তম মিনিটে। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের চতুর্থ গোলটি করেন আয়াসে উয়েদা। এরপর আর কোনো গোল না হলে ৪-০ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে জাপান।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে বিশেষ এই মাইলফলক ম্যাচে জাপানের আক্রমণভাগ যেমন কার্যকর ছিল, তেমনি রক্ষণভাগও ছিল দুর্ভেদ্য। পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষকে খুব কম সুযোগ দিয়েই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছে এশিয়ার দলটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে জাপানের বড় জয়, বিদায় তিউনিসিয়ার

আপডেট সময় ০১:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১০০০তম ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে জাপান। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বজায় রেখে ৪-০ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। এই পরাজয়ে টুর্নামেন্টে তিউনিসিয়ার পথ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জাপান। দ্রুতগতির আক্রমণ, নিখুঁত পাসিং এবং বল দখলে শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তারা।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে কেইতো নাকামুরা বক্সের ভেতরে বল বাড়িয়ে দিলে দাইচি কামাদা নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন। শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় তিউনিসিয়া।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন-জাপান

প্রথমার্ধের ৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। কো ইতাকুরার পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে গোল করেন আয়াসে উয়েদা। প্রথমার্ধ শেষ হয় জাপানের ২-০ গোলের লিড নিয়ে।

বিরতির পরও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রাখে জাপান। তিউনিসিয়া আক্রমণে ফেরার চেষ্টা করলেও সংগঠিত রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে সামুরাই ব্লুরা।

ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে জুনইয়া ইতো ব্যবধান ৩-০ করেন। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া পাস কাজে লাগিয়ে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে তিনি গোল করেন।

জয়ের ব্যবধান আরও বড় হয় ৮৪তম মিনিটে। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের চতুর্থ গোলটি করেন আয়াসে উয়েদা। এরপর আর কোনো গোল না হলে ৪-০ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে জাপান।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে বিশেষ এই মাইলফলক ম্যাচে জাপানের আক্রমণভাগ যেমন কার্যকর ছিল, তেমনি রক্ষণভাগও ছিল দুর্ভেদ্য। পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষকে খুব কম সুযোগ দিয়েই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছে এশিয়ার দলটি।