ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

তারেক রহমানের খালাস: নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
  • / 507

ছবি সংগৃহীত

তারেক রহমান, বাংলাদেশের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের হয়েছিল, যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে, ২০০৭ সালে এক-এগারোর সময় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয় এবং তিনি লন্ডনে চলে যান।
সাম্প্রতিক সময়ে, তারেক রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে একটি মামলায় অভিযোগ ছিল যে, সাব্বির হত্যা মামলার আসামিকে দায়মুক্তির উদ্দেশ্যে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই মামলাটি দায়ের করে। দীর্ঘ শুনানির পর, ২০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এই মামলায় তারেক রহমানকে খালাস দেন।
আদালতে প্রমাণিত হয়েছিল যে, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে কোনো যথাযথ স্বাক্ষ্য-প্রমাণ নেই। বিচারক মো. আবু তাহের রায়ে উল্লেখ করেন যে, মামলার তদন্তে দুর্বলতা, সাক্ষীদের অনুপস্থিতি এবং অন্যান্য অসঙ্গতি ছিল। ফলে আদালত সব আসামিকে খালাস প্রদান করে।
তারেক রহমানের খালাস পাওয়া রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তার মুক্তির ফলে বিএনপির শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্যও দৃঢ় হবে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরে আসলে বিএনপির নেতৃত্ব পুনর্গঠিত হবে এবং দলের কার্যক্রমে নতুন তেজ আসবে।
তারেক রহমানের খালাসের পর দেশে ফেরার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে যে, তিনি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং দলের কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য দেশে ফিরবেন। তার ফিরে আসা বিএনপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে এবং দেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে।
সবমিলিয়ে, তারেক রহমানের খালাস এবং দেশে ফেরার সম্ভাবনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। বিএনপির সমর্থকরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তার ফিরে আসার ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক landscape কেমন পরিবর্তিত হবে, তা নিয়ে আগ্রহী।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের খালাস: নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা

আপডেট সময় ১০:১৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
তারেক রহমান, বাংলাদেশের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের হয়েছিল, যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে, ২০০৭ সালে এক-এগারোর সময় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয় এবং তিনি লন্ডনে চলে যান।
সাম্প্রতিক সময়ে, তারেক রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে একটি মামলায় অভিযোগ ছিল যে, সাব্বির হত্যা মামলার আসামিকে দায়মুক্তির উদ্দেশ্যে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই মামলাটি দায়ের করে। দীর্ঘ শুনানির পর, ২০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এই মামলায় তারেক রহমানকে খালাস দেন।
আদালতে প্রমাণিত হয়েছিল যে, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে কোনো যথাযথ স্বাক্ষ্য-প্রমাণ নেই। বিচারক মো. আবু তাহের রায়ে উল্লেখ করেন যে, মামলার তদন্তে দুর্বলতা, সাক্ষীদের অনুপস্থিতি এবং অন্যান্য অসঙ্গতি ছিল। ফলে আদালত সব আসামিকে খালাস প্রদান করে।
তারেক রহমানের খালাস পাওয়া রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তার মুক্তির ফলে বিএনপির শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্যও দৃঢ় হবে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরে আসলে বিএনপির নেতৃত্ব পুনর্গঠিত হবে এবং দলের কার্যক্রমে নতুন তেজ আসবে।
তারেক রহমানের খালাসের পর দেশে ফেরার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে যে, তিনি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং দলের কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য দেশে ফিরবেন। তার ফিরে আসা বিএনপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে এবং দেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে।
সবমিলিয়ে, তারেক রহমানের খালাস এবং দেশে ফেরার সম্ভাবনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। বিএনপির সমর্থকরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তার ফিরে আসার ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক landscape কেমন পরিবর্তিত হবে, তা নিয়ে আগ্রহী।