ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর অনুমোদন দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / 592

ছবি সংগৃহীত

 

 

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রবিবার যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় এই অধ্যাদেশটি অনুমোদিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  অন্তর্বর্তী সরকারের ছাত্র উপদেষ্টারা এনসিপির নয়, গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি: হাসনাত আবদুল্লাহ

তিনি জানান, সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী এখন থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাজনৈতিক দল কিংবা যেকোনো সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা যাবে। অর্থাৎ, যারা রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় যুক্ত থাকবে, তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো এই সংশোধনের মাধ্যমে।

শফিকুল আলম আরও বলেন, “এই সংশোধনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে কেউ যেন সহিংসতা ও নাশকতায় লিপ্ত হতে না পারে, সেটিই মূল উদ্দেশ্য।”

তিনি জানিয়েছেন, সংশোধিত অধ্যাদেশটি আগামীকাল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এরপর থেকে এটি কার্যকর হবে এবং প্রয়োগে প্রশাসন সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংশোধনী কার্যকর হলে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে এবং যেকোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক গোষ্ঠী যদি সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হবে।

এদিকে, সংশোধনীর খসড়ায় কিছু শর্ত ও ব্যাখ্যাও যুক্ত করা হয়েছে, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে। অধ্যাদেশটি আইনি কাঠামোতে যুক্ত হওয়ায়, দেশে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যুক্ত হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিচ্ছে সন্ত্রাসের কোনো ঠাঁই নেই, রাজনৈতিক দল হলেও নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর অনুমোদন দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

 

 

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রবিবার যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় এই অধ্যাদেশটি অনুমোদিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা আর কোথাও নেই — স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

তিনি জানান, সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী এখন থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাজনৈতিক দল কিংবা যেকোনো সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা যাবে। অর্থাৎ, যারা রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় যুক্ত থাকবে, তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো এই সংশোধনের মাধ্যমে।

শফিকুল আলম আরও বলেন, “এই সংশোধনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে কেউ যেন সহিংসতা ও নাশকতায় লিপ্ত হতে না পারে, সেটিই মূল উদ্দেশ্য।”

তিনি জানিয়েছেন, সংশোধিত অধ্যাদেশটি আগামীকাল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এরপর থেকে এটি কার্যকর হবে এবং প্রয়োগে প্রশাসন সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংশোধনী কার্যকর হলে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে এবং যেকোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক গোষ্ঠী যদি সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হবে।

এদিকে, সংশোধনীর খসড়ায় কিছু শর্ত ও ব্যাখ্যাও যুক্ত করা হয়েছে, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে। অধ্যাদেশটি আইনি কাঠামোতে যুক্ত হওয়ায়, দেশে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যুক্ত হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিচ্ছে সন্ত্রাসের কোনো ঠাঁই নেই, রাজনৈতিক দল হলেও নয়।