ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় স্বার্থে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / 18

ছবি: সংগৃহীত

উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পরিচালিত হওয়া উচিত।

রোববার (২ নভেম্বর) বঙ্গভবনে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুবিধার ভিত্তিতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন  খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁদের সাহস, আত্মত্যাগ ও অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদান এবং স্বাধীনতার ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৯৭৭ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পেশাদার সামরিক শিক্ষা বিস্তারেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং গত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারীদেরও স্মরণ করেন। জনগণের মর্যাদা রক্ষা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রচলিত নিরাপত্তা উদ্বেগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার হুমকি, আন্তঃদেশীয় অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মহামারি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কেবল সামরিক প্রস্তুতির বিষয় নয়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানও এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কারণে সতর্কতা ও দূরদর্শিতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তি যুদ্ধ এবং নিরাপত্তার ধরন বদলে দিচ্ছে। পাশাপাশি ভুল তথ্য, অপতথ্য ও সাইবার হুমকি জাতীয় নিরাপত্তা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

এসব নতুন বাস্তবতা মোকাবিলায় কৌশলগত দূরদর্শিতা, সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ, বুদ্ধিবৃত্তিক উদারতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দেশের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে সমসাময়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে অভিন্ন উপলব্ধি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পেশাদারিত্ব, সততা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি বজায় রাখার ওপরও জোর দেন তিনি।

বিদেশি অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে তাঁদের অর্জিত অভিজ্ঞতা নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে।

তিনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জাতিগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা, মতবিরোধের পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘর্ষের পরিবর্তে শান্তির আহ্বান জানান তিনি।

সক্ষম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান।

এ সময় ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ফ্যাকাল্টি সদস্য, এনডিসি কোর্স সম্পন্নকারী সেনা কর্মকর্তা, এএফডব্লিউসি কোর্স সম্পন্নকারী সেনা কর্মকর্তা, এনডিসি কোর্সে অংশ নেওয়া বিদেশি সদস্য, আর্মি স্টাফ অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (জেসিও) এবং বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬-এ বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ৫৪ জন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৮ জন এবং ১৭টি বন্ধুপ্রতিম দেশের ৩১ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে এ কোর্সে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১০৩ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় স্বার্থে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট সময় ০৬:০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পরিচালিত হওয়া উচিত।

রোববার (২ নভেম্বর) বঙ্গভবনে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুবিধার ভিত্তিতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব আমি গ্রহণ করেছি: স্পিকার

বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁদের সাহস, আত্মত্যাগ ও অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদান এবং স্বাধীনতার ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৯৭৭ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পেশাদার সামরিক শিক্ষা বিস্তারেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং গত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারীদেরও স্মরণ করেন। জনগণের মর্যাদা রক্ষা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রচলিত নিরাপত্তা উদ্বেগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার হুমকি, আন্তঃদেশীয় অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মহামারি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কেবল সামরিক প্রস্তুতির বিষয় নয়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানও এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কারণে সতর্কতা ও দূরদর্শিতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তি যুদ্ধ এবং নিরাপত্তার ধরন বদলে দিচ্ছে। পাশাপাশি ভুল তথ্য, অপতথ্য ও সাইবার হুমকি জাতীয় নিরাপত্তা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

এসব নতুন বাস্তবতা মোকাবিলায় কৌশলগত দূরদর্শিতা, সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ, বুদ্ধিবৃত্তিক উদারতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দেশের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে সমসাময়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে অভিন্ন উপলব্ধি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পেশাদারিত্ব, সততা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি বজায় রাখার ওপরও জোর দেন তিনি।

বিদেশি অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে তাঁদের অর্জিত অভিজ্ঞতা নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে।

তিনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জাতিগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা, মতবিরোধের পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘর্ষের পরিবর্তে শান্তির আহ্বান জানান তিনি।

সক্ষম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান।

এ সময় ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ফ্যাকাল্টি সদস্য, এনডিসি কোর্স সম্পন্নকারী সেনা কর্মকর্তা, এএফডব্লিউসি কোর্স সম্পন্নকারী সেনা কর্মকর্তা, এনডিসি কোর্সে অংশ নেওয়া বিদেশি সদস্য, আর্মি স্টাফ অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (জেসিও) এবং বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬-এ বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ৫৪ জন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৮ জন এবং ১৭টি বন্ধুপ্রতিম দেশের ৩১ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে এ কোর্সে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১০৩ জন।