ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ, আরও ৯ আসামি কারাগারে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 20

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার আরও নয় আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন রেহানা পারভিন (৪৩), মো. সাইফুল ইসলাম (৫২), মো. জুয়েল শিকদার (৩৩), মো. নাজিম উদ্দিন (৩৪), মো. সাহেদ (৩৭), শান্ত শেখ (২৮), মো. হারুন মাইজভান্ডারী (৫৫), খালেদ মাহমুদ ফয়সাল (৪০) ও মো. সফিকুর রহমান (৫০)।

আরও পড়ুন  ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার: রাজবাড়ীর জনগণের মধ্যে স্বস্তি

এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. রুহুল আমিন।

আটক রাখার আবেদনে পুলিশ বলেছে, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। তাদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় তথ্য পাঠানো হয়েছে।

আসামিদের আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক রিমান্ড আবেদন দাখিলের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) একই মামলায় ২৪ আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠান ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার আওতাধীন এলাকায় কার্যক্রম স্থগিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ, সরকারবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যে তারা সমাবেশের আয়োজন করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, সমাবেশে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে।

পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশের উদ্দেশ্যেও ককটেল নিক্ষেপ করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। একপর্যায়ে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ, আরও ৯ আসামি কারাগারে

আপডেট সময় ০৮:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার আরও নয় আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন রেহানা পারভিন (৪৩), মো. সাইফুল ইসলাম (৫২), মো. জুয়েল শিকদার (৩৩), মো. নাজিম উদ্দিন (৩৪), মো. সাহেদ (৩৭), শান্ত শেখ (২৮), মো. হারুন মাইজভান্ডারী (৫৫), খালেদ মাহমুদ ফয়সাল (৪০) ও মো. সফিকুর রহমান (৫০)।

আরও পড়ুন  নবাবগঞ্জে তিন পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. রুহুল আমিন।

আটক রাখার আবেদনে পুলিশ বলেছে, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। তাদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় তথ্য পাঠানো হয়েছে।

আসামিদের আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক রিমান্ড আবেদন দাখিলের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) একই মামলায় ২৪ আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠান ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার আওতাধীন এলাকায় কার্যক্রম স্থগিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ, সরকারবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যে তারা সমাবেশের আয়োজন করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, সমাবেশে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে।

পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশের উদ্দেশ্যেও ককটেল নিক্ষেপ করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। একপর্যায়ে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।