ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অকটেনের বদলে পেট্রল ব্যবহার করছেন? নিজের অজান্তেই ইঞ্জিনের বারোটা বাজাচ্ছেন না তো! রংপুরে লাইসেন্স ও হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে মিলবে না তেল শ্যামপুরে আরআরএম স্টিল মিলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, দুই শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সংগীত শিক্ষা চালু করছে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী ৫ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম সমন্বয় কাল, কত হতে পারে নতুন দাম? চলতি মাসে ঝিনাইদহ ও ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন নদী-খাল দখল রোধে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা ৫৩ বছর পর ফের চাঁদের পথে মানুষ; আজ ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে নাসার ‘আর্টেমিস-২’ হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ৬ বাংলাদেশি জাহাজ ছাড়ল ইরান

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব,মে মাসের শেষার্ধে পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 29

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসের শেষ সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার প্রথা অনুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ উদযাপিত হয়। সেই হিসেবে আগামী মে মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ২৬ মে মঙ্গলবার পবিত্র আরাফাত দিবস পালিত হতে পারে। সেই ধারাবাহিকতায় পরদিন অর্থাৎ ২৭ মে বুধবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মিল রেখে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও একই দিনে ঈদ পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও সময়ের পার্থক্য বিবেচনা করলে, মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে ২৮ মে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এবং জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই তা নিশ্চিত করা হবে।
ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক, ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। মহান আল্লাহর নির্দেশে পুত্রকে কোরবানি করতে গিয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) যে চরম ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছিলেন, তার স্মরণে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর পশু কোরবানি করা ওয়াজিব বা আবশ্যক করা হয়েছে। সেই ঐতিহাসিক সুন্নাহ অনুসরণ করেই প্রতিবছর সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ পশু জবেহ করার মাধ্যমে এই উৎসব পালন করে।

আরও পড়ুন  ঈদের দ্বিতীয় দিন চলবে অধিকাংশ আন্তঃনগর ট্রেন, যুক্ত হচ্ছে অতিরিক্ত কোচ

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মুসলিম বিশ্বে এক ধরনের ধর্মীয় আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা এবং কোরবানির পশুর হাটের প্রস্তুতিও এই সময়কে ঘিরেই আবর্তিত হয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটি আত্মত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: গালফ নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব,মে মাসের শেষার্ধে পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা

আপডেট সময় ১১:৫১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসের শেষ সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার প্রথা অনুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ উদযাপিত হয়। সেই হিসেবে আগামী মে মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ২৬ মে মঙ্গলবার পবিত্র আরাফাত দিবস পালিত হতে পারে। সেই ধারাবাহিকতায় পরদিন অর্থাৎ ২৭ মে বুধবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মিল রেখে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও একই দিনে ঈদ পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও সময়ের পার্থক্য বিবেচনা করলে, মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে ২৮ মে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এবং জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই তা নিশ্চিত করা হবে।
ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক, ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। মহান আল্লাহর নির্দেশে পুত্রকে কোরবানি করতে গিয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) যে চরম ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছিলেন, তার স্মরণে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর পশু কোরবানি করা ওয়াজিব বা আবশ্যক করা হয়েছে। সেই ঐতিহাসিক সুন্নাহ অনুসরণ করেই প্রতিবছর সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ পশু জবেহ করার মাধ্যমে এই উৎসব পালন করে।

আরও পড়ুন  ঈদুল আজহা উপলক্ষে ওমানে ৬৪৫ কারাবন্দিকে ক্ষমা দিলেন সুলতান হাইথাম

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মুসলিম বিশ্বে এক ধরনের ধর্মীয় আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা এবং কোরবানির পশুর হাটের প্রস্তুতিও এই সময়কে ঘিরেই আবর্তিত হয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটি আত্মত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: গালফ নিউজ