ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
উত্তরায় গৃহকর্ত্রীর মৃত্যু: গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার গৃহকর্মী, স্বীকারোক্তি নীরবতা ঘিরে রহস্য—কোথায় অবস্থান করছেন মুহাম্মদ ইউনূস? মাধ্যমিকের ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা, বেড়েছে ফি ময়মনসিংহে ‘কিশোর গ্যাং’–এর কবলে পড়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ থাইল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস, একে একে মারা যাচ্ছে বাঘ ভোরে আফগানিস্তানে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাকে কুপিয়ে হত্যা ‘৫ টাকার বিবাদে, প্রাণ গেল ভাইয়ের সামোয়া: পলিনেশিয়ার ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলন সমৃদ্ধ খাদ্য ভান্ডার গড়ার প্রত্যয়: ‘কৃষক’ পরিচয়ে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন

নীরবতা ঘিরে রহস্য—কোথায় অবস্থান করছেন মুহাম্মদ ইউনূস?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 12

ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতেই অবস্থান করছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরও তিনি আপাতত সেখানেই আছেন।

জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী আরও তিন মাস যমুনায় থাকার সুযোগ থাকলেও সেটি ছেড়ে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যমুনা পরিদর্শন করেছে।

অধ্যাপক ইউনূসের ঘনিষ্ঠজনরা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, যমুনায় তিনি পরিবারকে সময় দিচ্ছেন এবং সাজাচ্ছেন ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও। মাস খানেক বা ঈদের পর তিনি গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরতে পারেন, তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন  আজ রোহিঙ্গা সংলাপের মঞ্চে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথের পর থেকেই তিনি যমুনায় বসবাস করছেন।

ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগী গণমাধ্যমে জানান, ইউনূস সেন্টারে ফেরার প্রস্তুতি হিসেবে নথিপত্র ও সাংগঠনিক কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে অসুস্থ স্ত্রীকে সময় দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, মূলত ইউনূস সেন্টারে ফেরার কাজ ও নথিপত্র গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, এছাড়াও কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তিনি। তরুণদের জন্য নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়ে ভাবছেন, তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অধ্যাপক ইউনূসের দীর্ঘদিনের ‘থ্রি জিরো’ ভিশন বা শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই নতুন উদ্যোগগুলো নেওয়া হতে পারে, তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ঠিক হয়নি।

বিদেশ থেকেও সফরের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে তাকে সহায়তা করছেন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সাবেক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ। কোথায় তিনি সশরীরে যাবেন আর কোথায় ভার্চুয়ালি বক্তৃতা দেবেন সে ব্যাপারেও কাজ করছেন তিনি।

যমুনায় ড. ইউনূসের আগের মতো ব্যস্ততা না থাকলেও তিনি সকালে ঘুম থেকে উঠে কম্পাউন্ডের ভেতরেই কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করেন প্রতিদিন। নাশতার পর সকাল ১০টার দিকে কাজ শুরু করেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যারা তার সঙ্গে দেখা করতে চান, তাদের যেন সুযোগ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আরও একজন গণমাধ্যমে বলেন, তিনি আমাদের স্পষ্টভাবে বলেছেন, যারাই দেখা করতে চায়, তাদের যেন সুযোগ দেয়া হয়। আগে রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে অনেকের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি, এখন তিনি সবার কথা শুনতে চান। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ তার সঙ্গে দেখা করতে আসছেন। কেউ অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুনতে চান, কেউ তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চান, আবার কেউ পেশাগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

আগামী মাসে পাঁচ দিনের সফরে জাপানে যাওয়ার কথা রয়েছে ড. ইউনূসের। সফরের বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তার এক সহযোগী।

সব কিছু শেষে ড. ইউনূসের মনোযোগ এখন পরিবারের দিকে। অফিসের কাজ শেষে তিনি অসুস্থ স্ত্রীর পাশেই থাকছেন এবং বিকেলে ৫টার দিকে তিনি আরেক দফা হাঁটাহাঁটি করেন। সন্ধ্যা কাটছে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে এছাড়া মেয়ের দুই বিড়াল ‘মিনু’ ও ‘কায়রো’র সঙ্গেও সময় কাটে তার।

জানা গেছে, এরইমধ্যে সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। তিনি তার সরকারের মেয়াদকালেই পাসপোর্টটি ছেড়েছেন। এক সপ্তাহ আগে ক্ষমতায় থাকাকালীন পাসপোর্টটি হস্তান্তর করেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টার পদমর্যাদার অনেকে এরইমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন।

স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টার পদমর্যাদার মিলিয়ে প্রায় ২০ জন তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা সপ্তাহখানেক আগে পাসপোর্ট ছেড়েছেন। বাকিরাও ভোটের আগে পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর দেশ শাসনের পরে ১২ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন অধ্যাপক ইউনূস।

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ প্রতিমন্ত্রী দিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

নীরবতা ঘিরে রহস্য—কোথায় অবস্থান করছেন মুহাম্মদ ইউনূস?

আপডেট সময় ১২:২৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতেই অবস্থান করছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরও তিনি আপাতত সেখানেই আছেন।

জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী আরও তিন মাস যমুনায় থাকার সুযোগ থাকলেও সেটি ছেড়ে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যমুনা পরিদর্শন করেছে।

অধ্যাপক ইউনূসের ঘনিষ্ঠজনরা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, যমুনায় তিনি পরিবারকে সময় দিচ্ছেন এবং সাজাচ্ছেন ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও। মাস খানেক বা ঈদের পর তিনি গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরতে পারেন, তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের চুরি হয়ে যাওয়া সম্পদ ফেরত পেতে বিশ্ব নেতাদের সহায়তা চাইলেন ড. ইউনূস

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথের পর থেকেই তিনি যমুনায় বসবাস করছেন।

ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগী গণমাধ্যমে জানান, ইউনূস সেন্টারে ফেরার প্রস্তুতি হিসেবে নথিপত্র ও সাংগঠনিক কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে অসুস্থ স্ত্রীকে সময় দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, মূলত ইউনূস সেন্টারে ফেরার কাজ ও নথিপত্র গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, এছাড়াও কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তিনি। তরুণদের জন্য নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়ে ভাবছেন, তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অধ্যাপক ইউনূসের দীর্ঘদিনের ‘থ্রি জিরো’ ভিশন বা শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই নতুন উদ্যোগগুলো নেওয়া হতে পারে, তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ঠিক হয়নি।

বিদেশ থেকেও সফরের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে তাকে সহায়তা করছেন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সাবেক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ। কোথায় তিনি সশরীরে যাবেন আর কোথায় ভার্চুয়ালি বক্তৃতা দেবেন সে ব্যাপারেও কাজ করছেন তিনি।

যমুনায় ড. ইউনূসের আগের মতো ব্যস্ততা না থাকলেও তিনি সকালে ঘুম থেকে উঠে কম্পাউন্ডের ভেতরেই কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করেন প্রতিদিন। নাশতার পর সকাল ১০টার দিকে কাজ শুরু করেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যারা তার সঙ্গে দেখা করতে চান, তাদের যেন সুযোগ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আরও একজন গণমাধ্যমে বলেন, তিনি আমাদের স্পষ্টভাবে বলেছেন, যারাই দেখা করতে চায়, তাদের যেন সুযোগ দেয়া হয়। আগে রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে অনেকের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি, এখন তিনি সবার কথা শুনতে চান। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ তার সঙ্গে দেখা করতে আসছেন। কেউ অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুনতে চান, কেউ তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চান, আবার কেউ পেশাগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

আগামী মাসে পাঁচ দিনের সফরে জাপানে যাওয়ার কথা রয়েছে ড. ইউনূসের। সফরের বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তার এক সহযোগী।

সব কিছু শেষে ড. ইউনূসের মনোযোগ এখন পরিবারের দিকে। অফিসের কাজ শেষে তিনি অসুস্থ স্ত্রীর পাশেই থাকছেন এবং বিকেলে ৫টার দিকে তিনি আরেক দফা হাঁটাহাঁটি করেন। সন্ধ্যা কাটছে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে এছাড়া মেয়ের দুই বিড়াল ‘মিনু’ ও ‘কায়রো’র সঙ্গেও সময় কাটে তার।

জানা গেছে, এরইমধ্যে সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। তিনি তার সরকারের মেয়াদকালেই পাসপোর্টটি ছেড়েছেন। এক সপ্তাহ আগে ক্ষমতায় থাকাকালীন পাসপোর্টটি হস্তান্তর করেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টার পদমর্যাদার অনেকে এরইমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন।

স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টার পদমর্যাদার মিলিয়ে প্রায় ২০ জন তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা সপ্তাহখানেক আগে পাসপোর্ট ছেড়েছেন। বাকিরাও ভোটের আগে পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর দেশ শাসনের পরে ১২ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন অধ্যাপক ইউনূস।

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ প্রতিমন্ত্রী দিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন।