ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পরিবারের বক্তব্যে বাংলাদেশি শনাক্ত করে ফেরত পাঠানো যায়? কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্ন জুয়ায় গ্রাহকের টাকা হারিয়ে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভি পিল্লাই চীন সফরে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত দেখছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণা, এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফুটপাত দখলের চেষ্টা হলে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: ডিএনসিসি প্রশাসক দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে দুই স্টেশনে ট্রেন বন্ধ তানজিদের ৮৩ রানে দাপুটে শুরু বাংলাদেশের আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ ইরানের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে: ট্রাম্প

সংসদ নির্বাচন: দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল নিয়ে যে নির্দেশনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 4659

ছবি; সংগৃহীত

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যান চলাচলের ওপর সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার ভিত্তিতে জারি করা প্রজ্ঞাপনে কোন কোন যান চলবে আর কোনগুলো চলবে না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ২৪ ঘণ্টা।

আরও পড়ুন  সুন্দরবনে ট্রলারভর্তি হরিণ ধরার ফাঁদ জব্দ, পালিয়েছে শিকারিরা

এ ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে তিন দিন। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

তবে এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও জরুরি ও প্রয়োজনীয় কিছু ক্ষেত্রে শিথিলতা রাখা হয়েছে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে জরুরি যোগাযোগে ব্যবহৃত যান চলাচলের সুযোগ থাকবে। এতে করে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হবে না বলে জানানো হয়েছে।

বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, চিকিৎসা ও ওষুধ পরিবহন, সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।

সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন থাকলে যানবাহন কিংবা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনার কাজে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনকে জরুরি সেবার আওতায় রেখে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদ নির্বাচন: দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল নিয়ে যে নির্দেশনা

আপডেট সময় ১২:০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যান চলাচলের ওপর সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার ভিত্তিতে জারি করা প্রজ্ঞাপনে কোন কোন যান চলবে আর কোনগুলো চলবে না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ২৪ ঘণ্টা।

আরও পড়ুন  নির্বাচনে জঙ্গি হামলার শঙ্কা! উড়িয়ে দিচ্ছেন না আইজিপি

এ ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে তিন দিন। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

তবে এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও জরুরি ও প্রয়োজনীয় কিছু ক্ষেত্রে শিথিলতা রাখা হয়েছে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে জরুরি যোগাযোগে ব্যবহৃত যান চলাচলের সুযোগ থাকবে। এতে করে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হবে না বলে জানানো হয়েছে।

বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, চিকিৎসা ও ওষুধ পরিবহন, সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।

সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন থাকলে যানবাহন কিংবা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনার কাজে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনকে জরুরি সেবার আওতায় রেখে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।