ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ২৬ দিনে প্রাণ হারাল ১৬৬ শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয় সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ: ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1092

ছবি; সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে:
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত

আরও পড়ুন  নির্বাচন ঘিরে বিএনপি নেতাদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে না:
>>ট্যাক্সি ক্যাব
>>পিকআপ
>>মাইক্রোবাস
>>ট্রাক

মোটরসাইকেলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
নির্বাচন উপলক্ষে সবচেয়ে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরবাইক চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

যেসব ক্ষেত্রে শিথিলতা থাকবে:
জরুরি পরিষেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের গাড়ি।

অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং চিকিৎসা ও ওষুধ সংশ্লিষ্ট যানবাহন।

বিমানবন্দরগামী যাত্রী (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

দূরপাল্লার বাস ও বিটিআরসির লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম সেবার গাড়ি।

নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের যানবাহন।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (কার, জিপ বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই নিয়ম শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ: ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে

আপডেট সময় ১২:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে:
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত

আরও পড়ুন  নির্বাচন কি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ হচ্ছে? শেষ সময়ে সুশীল সমাজের ক্ষোভ কেন?

যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে না:
>>ট্যাক্সি ক্যাব
>>পিকআপ
>>মাইক্রোবাস
>>ট্রাক

মোটরসাইকেলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
নির্বাচন উপলক্ষে সবচেয়ে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরবাইক চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

যেসব ক্ষেত্রে শিথিলতা থাকবে:
জরুরি পরিষেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের গাড়ি।

অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং চিকিৎসা ও ওষুধ সংশ্লিষ্ট যানবাহন।

বিমানবন্দরগামী যাত্রী (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

দূরপাল্লার বাস ও বিটিআরসির লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম সেবার গাড়ি।

নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের যানবাহন।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (কার, জিপ বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই নিয়ম শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।