ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গরুর দুধের পুষ্টি ও শিশুর নিরাপত্তা: মায়েদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্য টিপস সরকারের দুই মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন আবারও আলোচনার তারিখ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা

বিচার বিভাগের রূপান্তরে ‘সংস্কার রোডম্যাপ’—প্রধান বিচারপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 243

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, “আমাদের সংস্কার রোডম্যাপের মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং একটি দক্ষ বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।” তিনি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বার্ষিক ‘রুল অব ল’ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিচার বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে ভাষণে প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিশ্বজুড়ে আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকারের সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশও এ প্রয়াসে পিছিয়ে নেই।”

আরও পড়ুন  গণতন্ত্র ও সংস্কারের লক্ষ্যে খেলাফত মজলিসের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা শুরু

তিনি জানান, ইউএনডিপি-সমর্থিত ট্রানজিশনাল জাস্টিস বা রূপান্তরকালীন ন্যায়বিচার সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি নিয়ে সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে তার মতবিনিময় হয়েছে। সে অভিজ্ঞতা তার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে যে, যেকোনো স্বৈরশাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণে বিচার বিভাগীয় সংস্কার অপরিহার্য ভিত্তি হওয়া উচিত।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “৪২ লাখের বেশি মামলার দীর্ঘসূত্রতা, বিচার বিভাগের ওপর জনগণের অবিশ্বাস, এবং রাজনীতিকীকরণের ক্ষতিকর প্রভাব আমাকে নিরুৎসাহিত করেনি। বরং, যারা ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল, তাদের চাহিদা পূরণ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্যই আমি ‘সংস্কার রোডম্যাপ’ ঘোষণা করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “এই রোডম্যাপ শুধু কাগজে-কলমে নয়; এর বাস্তবায়নে আমরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার চেষ্টা করছি। ডিজিটাল রূপান্তর, জনকেন্দ্রিক পদ্ধতি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণাসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় রেখে ইউএনডিপি আমাদের সহযোগিতা করছে।”

বিচারপতি রেফাত আহমেদ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, এ রোডম্যাপ ভবিষ্যতের জন্য একটি স্বচ্ছ, কার্যকর এবং গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ: বাসস

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচার বিভাগের রূপান্তরে ‘সংস্কার রোডম্যাপ’—প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ১০:০১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, “আমাদের সংস্কার রোডম্যাপের মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং একটি দক্ষ বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।” তিনি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বার্ষিক ‘রুল অব ল’ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিচার বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে ভাষণে প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিশ্বজুড়ে আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকারের সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশও এ প্রয়াসে পিছিয়ে নেই।”

আরও পড়ুন  গণতন্ত্র বহাল রেখে নতুন ৪ মূলনীতির প্রস্তাব, ধর্মনিরপেক্ষতাসহ বাদ ৩ মূলনীতি

তিনি জানান, ইউএনডিপি-সমর্থিত ট্রানজিশনাল জাস্টিস বা রূপান্তরকালীন ন্যায়বিচার সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি নিয়ে সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে তার মতবিনিময় হয়েছে। সে অভিজ্ঞতা তার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে যে, যেকোনো স্বৈরশাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণে বিচার বিভাগীয় সংস্কার অপরিহার্য ভিত্তি হওয়া উচিত।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “৪২ লাখের বেশি মামলার দীর্ঘসূত্রতা, বিচার বিভাগের ওপর জনগণের অবিশ্বাস, এবং রাজনীতিকীকরণের ক্ষতিকর প্রভাব আমাকে নিরুৎসাহিত করেনি। বরং, যারা ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল, তাদের চাহিদা পূরণ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্যই আমি ‘সংস্কার রোডম্যাপ’ ঘোষণা করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “এই রোডম্যাপ শুধু কাগজে-কলমে নয়; এর বাস্তবায়নে আমরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার চেষ্টা করছি। ডিজিটাল রূপান্তর, জনকেন্দ্রিক পদ্ধতি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণাসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় রেখে ইউএনডিপি আমাদের সহযোগিতা করছে।”

বিচারপতি রেফাত আহমেদ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, এ রোডম্যাপ ভবিষ্যতের জন্য একটি স্বচ্ছ, কার্যকর এবং গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ: বাসস