ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র তৈরিতে চীনা উদ্যোক্তাদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 113

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টার কাছে নতুন নোটের ছবি হস্তান্তর করলেন গভর্নর

রোববার (১ জুন) রাজধানীর মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, জ্বালানি, কৃষি, পাট ও তথ্যপ্রযুক্তি। এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরিত করতে পারেন।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তাদের কর্মে লাগানোর জন্য এখনই সময়। চীনা বিনিয়োগকারীরা এখানে এসে এই মানবসম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।”

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের ডাকে সাড়া দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানোয় আমরা চীনের প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেবে।”

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীদার হতে চীনা ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় চীনা বিনিয়োগ হবে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের দিকগুলোকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের নেওয়া নীতিমালা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।”

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে চীনা উদ্যোক্তাদের কাছে বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া চীনা প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র তৈরিতে চীনা উদ্যোক্তাদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

আপডেট সময় ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

 

বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  ১২০০ বস্তা চাল “গুজব”: প্রতিক্রিয়া জানালেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

রোববার (১ জুন) রাজধানীর মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, জ্বালানি, কৃষি, পাট ও তথ্যপ্রযুক্তি। এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরিত করতে পারেন।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তাদের কর্মে লাগানোর জন্য এখনই সময়। চীনা বিনিয়োগকারীরা এখানে এসে এই মানবসম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।”

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের ডাকে সাড়া দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানোয় আমরা চীনের প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেবে।”

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীদার হতে চীনা ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় চীনা বিনিয়োগ হবে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের দিকগুলোকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের নেওয়া নীতিমালা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।”

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে চীনা উদ্যোক্তাদের কাছে বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া চীনা প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।