ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

দেশে গমের চাহিদা বাড়ছে, সাইলোর নির্মাণে জোর দিচ্ছে সরকার: খাদ্য উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 534

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে গমের ব্যবহার বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে গমের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন, অথচ দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ১০ লাখ টন। বাকি ৬০ লাখ টনের অধিক আমদানি নির্ভর করতে হচ্ছে বেসরকারি খাতে।

শনিবার (৩ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় নির্মাণাধীন সাইলো ও নতুন খাদ্য গুদামের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  শপথ নিলেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, “আমরা যদি খাদ্যশস্যের মজুদ সক্ষমতা বাড়াতে পারি, তাহলে বাজারে চাল ও গমের দামে স্থিতিশীলতা আসবে। বর্তমানে চালের দাম কিছুটা কমেছে, তবে অত্যধিক দাম পতনে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন সেই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।”

তিনি আরও জানান, নারায়ণগঞ্জের সাইলো গুদামের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও কিছু সাইলোর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।

“এ বছর বোরো ধানের উৎপাদন সন্তোষজনক হয়েছে। আমরা যদি সঠিকভাবে এই ধান মজুদ করতে পারি, তাহলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে খাদ্য সরবরাহের পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে,”বলেন তিনি।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর হুসাইনসহ জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সারাদেশে আধুনিক খাদ্য গুদাম ও সাইলো নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে খাদ্যশস্যের দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ, দাম নিয়ন্ত্রণ এবং স্বল্পআয়ের মানুষের জন্য সহজলভ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে গমের চাহিদা বাড়ছে, সাইলোর নির্মাণে জোর দিচ্ছে সরকার: খাদ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে গমের ব্যবহার বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে গমের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন, অথচ দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ১০ লাখ টন। বাকি ৬০ লাখ টনের অধিক আমদানি নির্ভর করতে হচ্ছে বেসরকারি খাতে।

শনিবার (৩ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় নির্মাণাধীন সাইলো ও নতুন খাদ্য গুদামের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার দায় নিতে হচ্ছে এনসিপিকে : হাসনাত আবদুল্লাহ

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, “আমরা যদি খাদ্যশস্যের মজুদ সক্ষমতা বাড়াতে পারি, তাহলে বাজারে চাল ও গমের দামে স্থিতিশীলতা আসবে। বর্তমানে চালের দাম কিছুটা কমেছে, তবে অত্যধিক দাম পতনে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন সেই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।”

তিনি আরও জানান, নারায়ণগঞ্জের সাইলো গুদামের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও কিছু সাইলোর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।

“এ বছর বোরো ধানের উৎপাদন সন্তোষজনক হয়েছে। আমরা যদি সঠিকভাবে এই ধান মজুদ করতে পারি, তাহলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে খাদ্য সরবরাহের পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে,”বলেন তিনি।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর হুসাইনসহ জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সারাদেশে আধুনিক খাদ্য গুদাম ও সাইলো নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে খাদ্যশস্যের দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ, দাম নিয়ন্ত্রণ এবং স্বল্পআয়ের মানুষের জন্য সহজলভ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।