ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরিতে হুতিদের হামলার দাবি, তেল আবিবেও ড্রোন আক্রমণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / 536

ছবি সংগৃহীত

 

লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজে সরাসরি হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। হুতিদের এক মুখপাত্র জানান, তাদের যোদ্ধারা মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী রণতরি ইউএসএস হ্যারি এস. ট্রুম্যান-এ আঘাত হেনেছে।

শুধু সমুদ্রেই নয়, হুতিরা দাবি করেছে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে একাধিক সামরিক স্থাপনায় চালানো হয়েছে ড্রোন হামলা। এসব আক্রমণের লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। হুতির মুখপাত্র বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে আমাদের প্রতিরোধ চলবে। ওয়াশিংটন উত্তেজনা বাড়ালে আমরাও সমুচিত জবাব দেবো।”

আরও পড়ুন  মার্কিন রণতরিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানি মিডিয়ায় উচ্ছ্বাস

তিনি আরও জানান, ইয়েমেনের কৌশলগত জলসীমায় ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যত দিন না গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন থেমে যায় এবং অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়, তত দিন হুতিরা ইসরায়েলি স্বার্থে হামলা চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে হুতিদের দমন করতে ইয়েমেনে বড় পরিসরে অভিযান চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযান দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

হুতি-সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেল আল মাসিরাহর তথ্যমতে, মার্কিন বাহিনী ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও এর আশপাশের অঞ্চলে একাধিক হামলা চালিয়েছে। সাদা প্রদেশের আল সালেম এলাকাও ছিল মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু।

খবরে বলা হয়, গত কয়েক ঘণ্টায় সাদা প্রদেশে অন্তত ১৭ বার বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় হতাহতের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে স্থানীয়রা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগর ঘিরে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে হুতিদের প্রতিরোধ, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের প্রতিশোধ এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিস্তৃত সংঘর্ষের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরিতে হুতিদের হামলার দাবি, তেল আবিবেও ড্রোন আক্রমণ

আপডেট সময় ০২:০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

 

লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজে সরাসরি হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। হুতিদের এক মুখপাত্র জানান, তাদের যোদ্ধারা মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী রণতরি ইউএসএস হ্যারি এস. ট্রুম্যান-এ আঘাত হেনেছে।

শুধু সমুদ্রেই নয়, হুতিরা দাবি করেছে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে একাধিক সামরিক স্থাপনায় চালানো হয়েছে ড্রোন হামলা। এসব আক্রমণের লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। হুতির মুখপাত্র বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে আমাদের প্রতিরোধ চলবে। ওয়াশিংটন উত্তেজনা বাড়ালে আমরাও সমুচিত জবাব দেবো।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলায় ইয়েমেনে নিহত ১৩, উত্তপ্ত লোহিত সাগর

তিনি আরও জানান, ইয়েমেনের কৌশলগত জলসীমায় ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যত দিন না গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন থেমে যায় এবং অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়, তত দিন হুতিরা ইসরায়েলি স্বার্থে হামলা চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে হুতিদের দমন করতে ইয়েমেনে বড় পরিসরে অভিযান চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযান দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

হুতি-সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেল আল মাসিরাহর তথ্যমতে, মার্কিন বাহিনী ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও এর আশপাশের অঞ্চলে একাধিক হামলা চালিয়েছে। সাদা প্রদেশের আল সালেম এলাকাও ছিল মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু।

খবরে বলা হয়, গত কয়েক ঘণ্টায় সাদা প্রদেশে অন্তত ১৭ বার বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় হতাহতের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে স্থানীয়রা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগর ঘিরে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে হুতিদের প্রতিরোধ, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের প্রতিশোধ এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিস্তৃত সংঘর্ষের ইঙ্গিত দিচ্ছে।