ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহে আরও ২ শিশুর মৃত্যু কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হিসেবে ডলি বেগমের শপথ ইরান, লেবানন ও ইরাকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো সংযুক্ত আরব আমিরাত লালমনিরহাট সীমান্তে বিষধর সাপ ও কুমির আতঙ্ক, স্থানীয়দের মাঝে ভয় বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন নাকচ; ইরানের অংশগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রেরও আপত্তি নেই দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা ৮০ বছর বয়সী নোবেলজয়ী নেত্রীকে নিজ বাসস্থানে স্থানান্তরের ঘোষণা জান্তা সরকারের চুয়াডাঙ্গায় খরগোশ শিকারের অপরাধে চারজনের কারাদণ্ড জ্বালানি সংকট সামাল দিতে অফিস ও মার্কেট বন্ধের নতুন সময় ঘোষণা নিরাপত্তার শঙ্কায় হেলমেট পরে পরীক্ষার হলে জবি শিক্ষার্থীরা

কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হিসেবে ডলি বেগমের শপথ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 8

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক ডলি বেগম দেশটির ফেডারেল রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো এমপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে শপথ নিয়েছেন। টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি এই ইতিহাস গড়েন। তাঁর এই জয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি কানাডার সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

শপথ নেওয়ার পর নিজের ফেসবুক পেজে ডলি বেগম বলেন, “স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট-এর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পেরে আমি সম্মানিত। কানাডার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা একতা, জরুরি পদক্ষেপ এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের দাবি রাখে।”

তিনি ইতোমধ্যে অটোয়াতে পৌঁছে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা এবং কানাডাকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

আরও পড়ুন  উপদেষ্টারা কেউ দেশ ছাড়ছেন না, শপথে থাকবেন: প্রেস সচিব

এর আগে ডলি বেগম অন্টারিও প্রাদেশিক পার্লামেন্টের নির্বাচনে নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) হয়ে এমপিপি পদে টানা তিনবার নির্বাচিত হয়েছিলেন (২০১৮, ২০২২ ও গত বছর)। কানাডার তিন স্তরের সরকার পদ্ধতির কোনো আইন পরিষদে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউ ডেমোক্র্যাট।

চলতি বছরের শুরুতে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনটি শূন্য হওয়ার পর তিনি ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টিতে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার কথা জানান।

ডলি বেগমের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের মনু নদের পাড়ে। বাবা রাজা মিয়া এবং মা জবা বেগমের হাত ধরে মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল) থেকে উন্নয়ন প্রশাসন ও পরিকল্পনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হিসেবে ডলি বেগমের শপথ

আপডেট সময় ০২:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক ডলি বেগম দেশটির ফেডারেল রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো এমপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে শপথ নিয়েছেন। টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি এই ইতিহাস গড়েন। তাঁর এই জয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি কানাডার সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

শপথ নেওয়ার পর নিজের ফেসবুক পেজে ডলি বেগম বলেন, “স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট-এর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পেরে আমি সম্মানিত। কানাডার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা একতা, জরুরি পদক্ষেপ এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের দাবি রাখে।”

তিনি ইতোমধ্যে অটোয়াতে পৌঁছে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা এবং কানাডাকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

আরও পড়ুন  উপদেষ্টারা কেউ দেশ ছাড়ছেন না, শপথে থাকবেন: প্রেস সচিব

এর আগে ডলি বেগম অন্টারিও প্রাদেশিক পার্লামেন্টের নির্বাচনে নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) হয়ে এমপিপি পদে টানা তিনবার নির্বাচিত হয়েছিলেন (২০১৮, ২০২২ ও গত বছর)। কানাডার তিন স্তরের সরকার পদ্ধতির কোনো আইন পরিষদে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউ ডেমোক্র্যাট।

চলতি বছরের শুরুতে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনটি শূন্য হওয়ার পর তিনি ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টিতে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার কথা জানান।

ডলি বেগমের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের মনু নদের পাড়ে। বাবা রাজা মিয়া এবং মা জবা বেগমের হাত ধরে মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল) থেকে উন্নয়ন প্রশাসন ও পরিকল্পনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।