ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমনিরহাট সীমান্তে বিষধর সাপ ও কুমির আতঙ্ক, স্থানীয়দের মাঝে ভয় বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন নাকচ; ইরানের অংশগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রেরও আপত্তি নেই দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা ৮০ বছর বয়সী নোবেলজয়ী নেত্রীকে নিজ বাসস্থানে স্থানান্তরের ঘোষণা জান্তা সরকারের চুয়াডাঙ্গায় খরগোশ শিকারের অপরাধে চারজনের কারাদণ্ড জ্বালানি সংকট সামাল দিতে অফিস ও মার্কেট বন্ধের নতুন সময় ঘোষণা নিরাপত্তার শঙ্কায় হেলমেট পরে পরীক্ষার হলে জবি শিক্ষার্থীরা ১৭২৮ টাকা ছাড়াল ১২ কেজির এলপিজি, বাড়ছে অটোগ্যাসের দামও এক কিউআর-এই হবে সব লেনদেন; ৩০ জুনের মধ্যে ‘বাংলা কিউআর’ চালুর ডেডলাইন হাইতি: সংগ্রাম, ইতিহাস ও টিকে থাকার এক অনন্য গল্প

চুয়াডাঙ্গায় খরগোশ শিকারের অপরাধে চারজনের কারাদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 15

ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় খরগোশ হত্যা ও শিকারের অপরাধে চার ব্যক্তিকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয়টি মৃত ও পাঁচটি জীবিত খরগোশ উদ্ধার করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলার তিতুদহ গ্রামের কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মাঠে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ঝিনাইদহ জেলার সাধুহাটি গ্রামের উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস (পিতা: মনোরঞ্জন বিশ্বাস) এবং এনায়েতপুর গ্রামের সাদগার আলী (পিতা: মৃত তোয়াজ আলী), সুকুমার মণ্ডলের ছেলে সুকুমার মণ্ডল ও সুধাংশু কুমার বিশ্বাস (পিতা: মোহন কুমার বিশ্বাস)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গার সীমান্ত এলাকায় বন্যপ্রাণী শিকার করতে ১৪ থেকে ১৬ জনের একটি দল তিতুদহ গ্রামের কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মাঠে আসে। তারা কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খরগোশ শিকারের জন্য ফাঁদ পাতে। ফাঁদে ছয়টি খরগোশ আটকা পড়লে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সেগুলোকে মেরে ফেলা হয়। এছাড়া পাঁচটি জীবিত খরগোশ খাঁচায় আটকে রাখা হয়।

আরও পড়ুন  রাজধানীতে ফের ছুরিকাঘাত: হাজারীবাগে স্কুলছাত্রী খুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

বিষয়টি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলুর নজরে এলে তিনি সদর উপজেলা বন বিভাগকে অবহিত করেন। পরে বন বিভাগ, বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড নেচার ইনিশিয়েটিভের সদস্য এবং পুলিশের সমন্বয়ে একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও চারজন শিকারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

ঘটনার পর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে আটক চারজনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা আবুল খায়ের আতা জানান, জীবিত উদ্ধারকৃত পাঁচটি খরগোশ বনে অবমুক্ত করা হয়েছে এবং মৃত খরগোশগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। রাতেই দণ্ডপ্রাপ্তদের পুলিশ প্রহরায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় খরগোশ শিকারের অপরাধে চারজনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:১৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় খরগোশ হত্যা ও শিকারের অপরাধে চার ব্যক্তিকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয়টি মৃত ও পাঁচটি জীবিত খরগোশ উদ্ধার করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলার তিতুদহ গ্রামের কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মাঠে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ঝিনাইদহ জেলার সাধুহাটি গ্রামের উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস (পিতা: মনোরঞ্জন বিশ্বাস) এবং এনায়েতপুর গ্রামের সাদগার আলী (পিতা: মৃত তোয়াজ আলী), সুকুমার মণ্ডলের ছেলে সুকুমার মণ্ডল ও সুধাংশু কুমার বিশ্বাস (পিতা: মোহন কুমার বিশ্বাস)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গার সীমান্ত এলাকায় বন্যপ্রাণী শিকার করতে ১৪ থেকে ১৬ জনের একটি দল তিতুদহ গ্রামের কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মাঠে আসে। তারা কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খরগোশ শিকারের জন্য ফাঁদ পাতে। ফাঁদে ছয়টি খরগোশ আটকা পড়লে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সেগুলোকে মেরে ফেলা হয়। এছাড়া পাঁচটি জীবিত খরগোশ খাঁচায় আটকে রাখা হয়।

আরও পড়ুন  ঝালকাঠিতে চাঁদা না দেয়ায় রাজমিস্ত্রীকে হত্যা: তীব্র ক্ষোভ

বিষয়টি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলুর নজরে এলে তিনি সদর উপজেলা বন বিভাগকে অবহিত করেন। পরে বন বিভাগ, বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড নেচার ইনিশিয়েটিভের সদস্য এবং পুলিশের সমন্বয়ে একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও চারজন শিকারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

ঘটনার পর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে আটক চারজনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা আবুল খায়ের আতা জানান, জীবিত উদ্ধারকৃত পাঁচটি খরগোশ বনে অবমুক্ত করা হয়েছে এবং মৃত খরগোশগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। রাতেই দণ্ডপ্রাপ্তদের পুলিশ প্রহরায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।