ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত: ১৩৩ আফগান সেনা নিহতের দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 34

ছবি সংগৃহীত

 

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান নানগারহার প্রদেশে হামলা চালিয়ে একটি বড় গোলাবারুদ ডিপো ধ্বংস করেছে। খবর জিও নিউজ।

পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে ‘উসকানিমূলক’ হামলার জবাবে পাল্টা অভিযানে আফগান তালেবান সরকারের ১৩৩ জন সদস্য নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  আফগানিস্তানে হিন্দুকুশ অঞ্চলে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত 

নিরাপত্তা সূত্রের ভাষ্য, তালেবান বাহিনীর সীমান্ত লঙ্ঘনের পর পাকিস্তানি বাহিনী ‘অপারেশন গজব-লিল-হক’ শুরু করে।

রাত ২টা পর্যন্ত পরিস্থিতির আপডেট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক গণমাধ্যমবিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানান, আফগান দিক থেকে ‘উসকানিমূলক হামলার’ জবাবে পাকিস্তানি বাহিনী একাধিক পাল্টা আঘাত হেনেছে।

তার দাবি অনুযায়ী: ৭২ জন আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত, ১২০ জনের বেশি আহত।১৬টি তালেবান পোস্ট ধ্বংস, ৭টি দখল। একটি বড় গোলাবারুদ ডিপো, একটি ব্যাটালিয়ন সদরদপ্তর ও একটি সেক্টর হেডকোয়ার্টার লক্ষ্যবস্তু। ৩৬টির বেশি ট্যাংক, কামান ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস।

তিনি সতর্ক করে বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসনের জবাব ‘তাৎক্ষণিক ও কার্যকর’ভাবে দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে আরও পাল্টা হামলা চালানো হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জাইদি দাবি করেন, পাকিস্তানের কোনো পোস্ট দখল বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কোনো পাকিস্তানি সেনা নিহত বা আটকও হননি।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে যেসব দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা ‘ভারতের প্রক্সি’দের অপপ্রচার।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে একাধিকবার গোলাগুলি ও বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার জবাবে সীমান্তপারের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানায়।

সীমান্তের এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে উদ্বেগের মুখে ফেলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত: ১৩৩ আফগান সেনা নিহতের দাবি

আপডেট সময় ১১:২৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান নানগারহার প্রদেশে হামলা চালিয়ে একটি বড় গোলাবারুদ ডিপো ধ্বংস করেছে। খবর জিও নিউজ।

পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে ‘উসকানিমূলক’ হামলার জবাবে পাল্টা অভিযানে আফগান তালেবান সরকারের ১৩৩ জন সদস্য নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  ভারত হামলা বন্ধ করলে পাকিস্তানও ভাববে: ইসহাক দার

নিরাপত্তা সূত্রের ভাষ্য, তালেবান বাহিনীর সীমান্ত লঙ্ঘনের পর পাকিস্তানি বাহিনী ‘অপারেশন গজব-লিল-হক’ শুরু করে।

রাত ২টা পর্যন্ত পরিস্থিতির আপডেট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক গণমাধ্যমবিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানান, আফগান দিক থেকে ‘উসকানিমূলক হামলার’ জবাবে পাকিস্তানি বাহিনী একাধিক পাল্টা আঘাত হেনেছে।

তার দাবি অনুযায়ী: ৭২ জন আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত, ১২০ জনের বেশি আহত।১৬টি তালেবান পোস্ট ধ্বংস, ৭টি দখল। একটি বড় গোলাবারুদ ডিপো, একটি ব্যাটালিয়ন সদরদপ্তর ও একটি সেক্টর হেডকোয়ার্টার লক্ষ্যবস্তু। ৩৬টির বেশি ট্যাংক, কামান ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস।

তিনি সতর্ক করে বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসনের জবাব ‘তাৎক্ষণিক ও কার্যকর’ভাবে দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে আরও পাল্টা হামলা চালানো হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জাইদি দাবি করেন, পাকিস্তানের কোনো পোস্ট দখল বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কোনো পাকিস্তানি সেনা নিহত বা আটকও হননি।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে যেসব দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা ‘ভারতের প্রক্সি’দের অপপ্রচার।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে একাধিকবার গোলাগুলি ও বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার জবাবে সীমান্তপারের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানায়।

সীমান্তের এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে উদ্বেগের মুখে ফেলেছে।