ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়ঙ্কর `কিঞ্জহাল” হামলা, লক্ষ্য সামরিক ঘাঁটি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 597

ছবি: সংগৃহীত

 

কিয়েভ ও মস্কোকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ইউক্রেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিসম্পন্ন (হাইপারসনিক) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কিঞ্জহাল’ নিক্ষেপ করেছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (২৮ জুন) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় খেমিলনিৎস্কি এলাকার স্তারোকোনস্তানতিনোভ সামরিক বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। কিঞ্জহালের পাশাপাশি বিস্ফোরকবাহী একাধিক ড্রোনও ওই বিমানঘাঁটির দিকে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  রাশিয়া বিজয়ী হয়েছে, ইউক্রেনের ভাগ্য নির্ভর করছে মস্কোর পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর

রাশিয়ার দাবি, কিঞ্জহাল তাদের অস্ত্রভাণ্ডারের অন্যতম শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য এবং উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা সম্পন্ন। পশ্চিমা বিশ্বে এই ক্ষেপণাস্ত্র ‘ড্যাগার’ বা ‘ছোরা’ নামে পরিচিত। সর্বোচ্চ ৪৮০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই অস্ত্র।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি রাশিয়ার পক্ষ থেকেও।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত সাত দিনে ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অন্তত ছয়বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো জোটে যোগদানের প্রচেষ্টা, ক্রিমিয়া উপদ্বীপের মালিকানা ইত্যাদি ইস্যুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন, যা দুই বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিষয়টি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়ঙ্কর `কিঞ্জহাল” হামলা, লক্ষ্য সামরিক ঘাঁটি

আপডেট সময় ১০:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

কিয়েভ ও মস্কোকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ইউক্রেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিসম্পন্ন (হাইপারসনিক) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কিঞ্জহাল’ নিক্ষেপ করেছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (২৮ জুন) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় খেমিলনিৎস্কি এলাকার স্তারোকোনস্তানতিনোভ সামরিক বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। কিঞ্জহালের পাশাপাশি বিস্ফোরকবাহী একাধিক ড্রোনও ওই বিমানঘাঁটির দিকে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, নিহত ৩, আহত অন্তত ৬০

রাশিয়ার দাবি, কিঞ্জহাল তাদের অস্ত্রভাণ্ডারের অন্যতম শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য এবং উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা সম্পন্ন। পশ্চিমা বিশ্বে এই ক্ষেপণাস্ত্র ‘ড্যাগার’ বা ‘ছোরা’ নামে পরিচিত। সর্বোচ্চ ৪৮০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই অস্ত্র।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি রাশিয়ার পক্ষ থেকেও।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত সাত দিনে ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অন্তত ছয়বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো জোটে যোগদানের প্রচেষ্টা, ক্রিমিয়া উপদ্বীপের মালিকানা ইত্যাদি ইস্যুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন, যা দুই বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিষয়টি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।