ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

ঋণ তথ্যে ভুল দিলেই ৫ লাখ টাকা জরিমানা, শাস্তির মুখে ব্যাংকের কর্মকর্তারাও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 185

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি)-তে ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। একই সঙ্গে, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নির্দেশনা জারি করেছে।

আরও পড়ুন  ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত হবে, আমানতকারীদের স্বার্থেই কাজ করছি: গভর্নর

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের ঋণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঋণের সঠিক তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণগ্রহীতাদের সব ধরনের ঋণতথ্য মাসিক ভিত্তিতে সিআইবি সিস্টেমে আপলোড করতে হবে। এখন থেকে এ তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হবে, যা আগে ২০ তারিখ পর্যন্ত করা যেত।

ঋণ তথ্য আপলোডের সাত কর্মদিবসের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হালনাগাদ না করা হলে, ব্যাখ্যাসহ কারণ তিন দিনের মধ্যে সিআইবিকে জানাতে হবে। তবে সেই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষায়িত বিভাগ সিআইবি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ করে। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণগ্রহীতা আগে কোনো ঋণ গ্রহণ করেছেন কি না, পরিশোধ করেছেন কি না, অথবা খেলাপি তালিকায় আছেন কি না—এসব তথ্য সিআইবি থেকে জানা যায়। পাশাপাশি, ঋণের জামানতের তথ্যও এতে সংযুক্ত থাকে।

ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা আনতে ও ঋণপ্রক্রিয়া শৃঙ্খলিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঋণ তথ্যে ভুল দিলেই ৫ লাখ টাকা জরিমানা, শাস্তির মুখে ব্যাংকের কর্মকর্তারাও

আপডেট সময় ১০:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি)-তে ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। একই সঙ্গে, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নির্দেশনা জারি করেছে।

আরও পড়ুন  ২০০৬ বিশ্বকাপ দুর্নীতি: জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের ঋণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঋণের সঠিক তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণগ্রহীতাদের সব ধরনের ঋণতথ্য মাসিক ভিত্তিতে সিআইবি সিস্টেমে আপলোড করতে হবে। এখন থেকে এ তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হবে, যা আগে ২০ তারিখ পর্যন্ত করা যেত।

ঋণ তথ্য আপলোডের সাত কর্মদিবসের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হালনাগাদ না করা হলে, ব্যাখ্যাসহ কারণ তিন দিনের মধ্যে সিআইবিকে জানাতে হবে। তবে সেই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষায়িত বিভাগ সিআইবি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ করে। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণগ্রহীতা আগে কোনো ঋণ গ্রহণ করেছেন কি না, পরিশোধ করেছেন কি না, অথবা খেলাপি তালিকায় আছেন কি না—এসব তথ্য সিআইবি থেকে জানা যায়। পাশাপাশি, ঋণের জামানতের তথ্যও এতে সংযুক্ত থাকে।

ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা আনতে ও ঋণপ্রক্রিয়া শৃঙ্খলিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।