ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • / 40

ছবি: সংগৃহীত

 

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আরও পড়ুন  অবরোধ তুলে নিয়েছেন বিদেশ গমনেচ্ছুরা

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি মোজাফফর হোসেনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন এবং তদন্তের স্বার্থে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করা হয়।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি তদন্ত সংস্থার সুবিধাজনক সময়ে তাকে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়। এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সেনানিবাসের কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে, একই মামলার আরেক আসামি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকেও বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে সংঘটিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে মোজাফফর হোসেনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রসিকিউশনের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।

এর আগে ২১ জুলাই মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল

আপডেট সময় ০৩:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

 

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-মিসর যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব রাষ্ট্রদূতের

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি মোজাফফর হোসেনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন এবং তদন্তের স্বার্থে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করা হয়।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি তদন্ত সংস্থার সুবিধাজনক সময়ে তাকে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়। এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সেনানিবাসের কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে, একই মামলার আরেক আসামি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকেও বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে সংঘটিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে মোজাফফর হোসেনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রসিকিউশনের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।

এর আগে ২১ জুলাই মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।