ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাধা নেই: আইনমন্ত্রী ফ্রান্সে সহিংসতা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অর্থাভাবে থেমে থাকেনি মিমির পথচলা, পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 537

 

মিমি, এক মেধাবী ছাত্রী, ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখে আসছিল। কিন্তু তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় তার স্বপ্ন পূরণ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা। মিমির বাবা একজন দিনমজুর এবং মা গৃহিণী। তাদের সামান্য আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। মিমির পড়াশোনার খরচ জোগানো তাদের জন্য ছিল খুবই কঠিন।

মিমি একজন উদ্যমী তরুণী, যিনি নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। অর্থনৈতিক সংকট আসলেও তিনি হাল ছাড়েননি। তারেক রহমানের সমর্থন তাকে নতুন উদ্যম দিয়েছে। তিনি বুঝতে পেরেছেন, একা সংগ্রাম করা কঠিন হলেও, যদি কেউ পাশে থাকে, তাহলে সেই সংগ্রাম অনেক সহজ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  গণতন্ত্র রক্ষায় বিএনপির ত্যাগ বেশি: তারেক রহমান

ঠিক সেই সময়, তারেক রহমান মিমির পাশে দাঁড়ালেন। তিনি মিমির পড়াশোনার সমস্ত খরচ বহন করার দায়িত্ব নিলেন। তারেক রহমানের সহায়তায় মিমির স্বপ্ন আবার জেগে উঠল।

মিমি খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করতে লাগল। সে তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ ছিল। তিনি তাকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। মিমির স্বপ্ন পূরণ হতে বেশি দেরি ছিল না।
কিছুদিন পর, মিমি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল। তার পরিবার এবং শিক্ষকরা খুব খুশি হলেন। মিমির স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

মিমি এখন একজন সফল ডাক্তার। সে গরীব এবং অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়। মিমি তারেক রহমানের প্রতি চির কৃতজ্ঞ। তিনি তাকে সাহায্য না করলে মিমির স্বপ্ন কখনোই পূরণ হতো না।

মিমির মতো আরও অনেক তরুণী এবং তরুণের জন্য এই ধরনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের স্বপ্ন পূরণে এবং দেশের উন্নয়নে সহায়তা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থাভাবে থেমে থাকেনি মিমির পথচলা, পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মিমি, এক মেধাবী ছাত্রী, ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখে আসছিল। কিন্তু তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় তার স্বপ্ন পূরণ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা। মিমির বাবা একজন দিনমজুর এবং মা গৃহিণী। তাদের সামান্য আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। মিমির পড়াশোনার খরচ জোগানো তাদের জন্য ছিল খুবই কঠিন।

মিমি একজন উদ্যমী তরুণী, যিনি নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। অর্থনৈতিক সংকট আসলেও তিনি হাল ছাড়েননি। তারেক রহমানের সমর্থন তাকে নতুন উদ্যম দিয়েছে। তিনি বুঝতে পেরেছেন, একা সংগ্রাম করা কঠিন হলেও, যদি কেউ পাশে থাকে, তাহলে সেই সংগ্রাম অনেক সহজ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  সংস্কারের প্রয়োজন শুধু ক্ষমতা সীমাবদ্ধতায় নয়, জনগণের মৌলিক চাহিদায়ও: তারেক রহমান

ঠিক সেই সময়, তারেক রহমান মিমির পাশে দাঁড়ালেন। তিনি মিমির পড়াশোনার সমস্ত খরচ বহন করার দায়িত্ব নিলেন। তারেক রহমানের সহায়তায় মিমির স্বপ্ন আবার জেগে উঠল।

মিমি খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করতে লাগল। সে তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ ছিল। তিনি তাকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। মিমির স্বপ্ন পূরণ হতে বেশি দেরি ছিল না।
কিছুদিন পর, মিমি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল। তার পরিবার এবং শিক্ষকরা খুব খুশি হলেন। মিমির স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

মিমি এখন একজন সফল ডাক্তার। সে গরীব এবং অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়। মিমি তারেক রহমানের প্রতি চির কৃতজ্ঞ। তিনি তাকে সাহায্য না করলে মিমির স্বপ্ন কখনোই পূরণ হতো না।

মিমির মতো আরও অনেক তরুণী এবং তরুণের জন্য এই ধরনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের স্বপ্ন পূরণে এবং দেশের উন্নয়নে সহায়তা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।