ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাঁধা: পুলিশ মামলা না নেওয়ায় মিলনের বিস্ময়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 155

ছবি: সংগৃহীত

পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর–এর অভিযানে বাধা এবং ব্যবসায়ী নেতার বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা গ্রহণ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আপনি বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা হন বা মোগল সম্রাট আকবর, মেমো বা রশিদ আপনাকে রাখতেই হবে। তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি।”

পোস্টে মাহবুব কবির মিলন উল্লেখ করেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল রাজধানীর চকবাজারের মৌলভীবাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির বাধার মুখে পড়েন। এ ঘটনায় মামলা নিতে সংশ্লিষ্ট থানা গড়িমসি করছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা নিষ্ক্রিয় করতে জার্মানিতে নজিরবিহীন অভিযান

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে মামলা দায়েরের জন্য অফিসিয়াল চিঠি পাঠানোর পর ২৪ ঘণ্টা পার হলেও মামলা গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে মেমো বা রশিদ রাখা বাধ্যতামূলক। রশিদ না রাখা নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তিনি আরও দাবি করেন, রশিদ না রাখা ও ছোলার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হলে সমিতির সভাপতি তাতে বাধা দেন। ভবিষ্যতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা না করার জন্য কর্মকর্তাকে সতর্কও করা হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

মাহবুব কবির মিলন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দ্রুত যৌথ বাহিনী নিয়ে মৌলভীবাজারে অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের প্রতি মামলা গ্রহণের অনুরোধ করেন। অন্যথায় জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাঁধা: পুলিশ মামলা না নেওয়ায় মিলনের বিস্ময়

আপডেট সময় ০৪:১৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর–এর অভিযানে বাধা এবং ব্যবসায়ী নেতার বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা গ্রহণ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আপনি বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা হন বা মোগল সম্রাট আকবর, মেমো বা রশিদ আপনাকে রাখতেই হবে। তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি।”

পোস্টে মাহবুব কবির মিলন উল্লেখ করেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল রাজধানীর চকবাজারের মৌলভীবাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির বাধার মুখে পড়েন। এ ঘটনায় মামলা নিতে সংশ্লিষ্ট থানা গড়িমসি করছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন  যুদ্ধ ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে আরো শক্তিশালী করে ফেলবে— ইরানি গণতন্ত্রকামীদের মত

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে মামলা দায়েরের জন্য অফিসিয়াল চিঠি পাঠানোর পর ২৪ ঘণ্টা পার হলেও মামলা গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে মেমো বা রশিদ রাখা বাধ্যতামূলক। রশিদ না রাখা নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তিনি আরও দাবি করেন, রশিদ না রাখা ও ছোলার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হলে সমিতির সভাপতি তাতে বাধা দেন। ভবিষ্যতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা না করার জন্য কর্মকর্তাকে সতর্কও করা হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

মাহবুব কবির মিলন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দ্রুত যৌথ বাহিনী নিয়ে মৌলভীবাজারে অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের প্রতি মামলা গ্রহণের অনুরোধ করেন। অন্যথায় জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।