ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের পাশে যুক্তরাষ্ট্র: শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / 398

ছবি সংগৃহীত

 

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। গতকাল (২৫ মার্চ) ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে আমি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বিশ্ব গণতন্ত্রের জন্যও এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত।”

আরও পড়ুন  স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার আহ্বান

তিনি বলেন, “এমন একটি সময়ে এই দিবস উদযাপিত হচ্ছে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণকে তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ করে দেবে।”

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত মূল্য দিই। একটি উজ্জ্বল, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।”

তিনি ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।”

রুবিও তার বিবৃতির শেষাংশে বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের এই বিশেষ মুহূর্তে আমি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমাদের দুই দেশের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র সদা প্রস্তুত।”

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই বার্তা বাংলাদেশের জন্য এক প্রকার কূটনৈতিক আশ্বাসও বটে, যেখানে ভবিষ্যতের পথচলায় গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বার্তা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের পাশে যুক্তরাষ্ট্র: শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

 

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। গতকাল (২৫ মার্চ) ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে আমি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বিশ্ব গণতন্ত্রের জন্যও এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত।”

আরও পড়ুন  শ্রদ্ধা ও প্রার্থনায় বিএনপি: স্বাধীনতা দিবসে জিয়ার সমাধিতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি

তিনি বলেন, “এমন একটি সময়ে এই দিবস উদযাপিত হচ্ছে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণকে তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ করে দেবে।”

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত মূল্য দিই। একটি উজ্জ্বল, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।”

তিনি ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।”

রুবিও তার বিবৃতির শেষাংশে বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের এই বিশেষ মুহূর্তে আমি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমাদের দুই দেশের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র সদা প্রস্তুত।”

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই বার্তা বাংলাদেশের জন্য এক প্রকার কূটনৈতিক আশ্বাসও বটে, যেখানে ভবিষ্যতের পথচলায় গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বার্তা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।