টঙ্গীতে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩
- আপডেট সময় ০৪:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / 18
গাজীপুরের টঙ্গীতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজের পর জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে টঙ্গীর মুদাফা মাস্টারপাড়া এলাকার ফখরুল ইসলামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের শরীরের ৮৫ থেকে ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন লালচান মিয়া (৬০), তার স্ত্রী নাছিমা (৫০) এবং মেয়ে তানিশা (১৬)। দুর্ঘটনার পর গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় তিনজনকেই আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার সকালে টঙ্গী থেকে দগ্ধ তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে লালচান মিয়ার শরীরের ৯৫ শতাংশ, মেয়ে তানিশার ৮৬ শতাংশ এবং স্ত্রী নাছিমার ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।
ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার আরও জানান, তিনজনের শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। তাদের সবার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বুধবার ভোরে রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালানোর পর হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পুরো রান্নাঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং লালচান মিয়া, তার স্ত্রী ও মেয়ে দগ্ধ হন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করেন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহিন আলম বলেন, গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। তবে ইউনিট দুটি পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্টেশনে ফিরে যান। এ ঘটনায় তিনজন দগ্ধ হয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, বুধবার ভোরে রান্নার প্রস্তুতির সময় সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হন। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

























