ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 15

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সবার কথা বাদ দিয়ে অন্তত নিজের সন্তানের জন্য হলেও একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তুলতে হবে। সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে নগরী পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, কেউ নিশ্চয়ই চান না তাঁর সন্তান নোংরা, জীবাণুযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে উঠুক। সন্তান শুধু নিজের বাসার আশপাশে থাকে না; স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। তাই শুধু নিজের এলাকা নয়, পুরো ঢাকা শহর পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন  ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি 

তিনি বলেন, সন্তান সারা ঢাকা শহরেই চলাফেরা করবে। তাই সবাই মিলে চেষ্টা করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ নিলে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের অন্যতম বড় সমস্যা আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতা। এ সমস্যা এক দিনে কিংবা সাত দিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির পরিবর্তন আনা যাবে।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাঁরা এই সমস্যা সমাধানের সঙ্গে যুক্ত। পরিবর্তন আনতে সময় লাগতে পারে, কিন্তু চেষ্টা অব্যাহত রাখলে ফল পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকা জরুরি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কাজ করার ইচ্ছা।

কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তিনি যেখানেই যান, সেখানকার সমস্যা খেয়াল করেন এবং পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন করে বিষয়গুলো জানান। কর্মকর্তারাও যদি একইভাবে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেন, তাহলে পরিবর্তন সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উদাহরণ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ষাট ও সত্তরের দশকে লন্ডনের অনেক জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ছিল। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ও নাগরিক সচেতনতার মাধ্যমে সেখানকার পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেকেই বিদেশে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর দেখে দেশে ফিরে আফসোস করেন, বাংলাদেশের শহরগুলোও যদি এমন হতো। তবে শুধু আফসোস করে বসে থাকলে চলবে না; নিজেদের দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে সাম্প্রতিক কথোপকথনের বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করা দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের একজন শীর্ষ ব্যক্তি সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ঢাকার পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি জানান, আগের তুলনায় শহরের পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ওই ব্যক্তি ঢাকায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে, এমন কথা বলেননি; বরং বলেছেন, কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এর মধ্য দিয়েই বোঝা যায়, পরিবর্তন সম্ভব। সবাই মিলে চেষ্টা করলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি করা যাবে।

নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোথাও নতুন করে সড়ক বিভাজক তৈরি হচ্ছে, আবার কোথাও বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তাঁরা তাঁর সমালোচনা করতে পারেন। তবে প্রত্যেককে নিজের কাজেরও সমালোচনা করতে হবে। নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, দায়িত্ব কতটা সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে এবং দায়িত্ব পালনে কতটা চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী নগর ভবনের জরুরি পরিচালন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি আবহাওয়ার তথ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য, বাতাসের গতিবেগ, বন্যার পূর্বাভাস এবং বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখেন। এসব তথ্য কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং জরুরি পরিস্থিতি সম্পর্কে কীভাবে জানা যায়, সে বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি।

এ ছাড়া ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর উন্নয়ন ও বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও চিত্রও দেখেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:১৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সবার কথা বাদ দিয়ে অন্তত নিজের সন্তানের জন্য হলেও একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তুলতে হবে। সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে নগরী পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, কেউ নিশ্চয়ই চান না তাঁর সন্তান নোংরা, জীবাণুযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে উঠুক। সন্তান শুধু নিজের বাসার আশপাশে থাকে না; স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। তাই শুধু নিজের এলাকা নয়, পুরো ঢাকা শহর পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

তিনি বলেন, সন্তান সারা ঢাকা শহরেই চলাফেরা করবে। তাই সবাই মিলে চেষ্টা করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ নিলে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের অন্যতম বড় সমস্যা আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতা। এ সমস্যা এক দিনে কিংবা সাত দিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির পরিবর্তন আনা যাবে।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাঁরা এই সমস্যা সমাধানের সঙ্গে যুক্ত। পরিবর্তন আনতে সময় লাগতে পারে, কিন্তু চেষ্টা অব্যাহত রাখলে ফল পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকা জরুরি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কাজ করার ইচ্ছা।

কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তিনি যেখানেই যান, সেখানকার সমস্যা খেয়াল করেন এবং পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন করে বিষয়গুলো জানান। কর্মকর্তারাও যদি একইভাবে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেন, তাহলে পরিবর্তন সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উদাহরণ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ষাট ও সত্তরের দশকে লন্ডনের অনেক জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ছিল। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ও নাগরিক সচেতনতার মাধ্যমে সেখানকার পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেকেই বিদেশে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর দেখে দেশে ফিরে আফসোস করেন, বাংলাদেশের শহরগুলোও যদি এমন হতো। তবে শুধু আফসোস করে বসে থাকলে চলবে না; নিজেদের দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে সাম্প্রতিক কথোপকথনের বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করা দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের একজন শীর্ষ ব্যক্তি সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ঢাকার পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি জানান, আগের তুলনায় শহরের পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ওই ব্যক্তি ঢাকায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে, এমন কথা বলেননি; বরং বলেছেন, কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এর মধ্য দিয়েই বোঝা যায়, পরিবর্তন সম্ভব। সবাই মিলে চেষ্টা করলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি করা যাবে।

নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোথাও নতুন করে সড়ক বিভাজক তৈরি হচ্ছে, আবার কোথাও বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তাঁরা তাঁর সমালোচনা করতে পারেন। তবে প্রত্যেককে নিজের কাজেরও সমালোচনা করতে হবে। নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, দায়িত্ব কতটা সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে এবং দায়িত্ব পালনে কতটা চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী নগর ভবনের জরুরি পরিচালন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি আবহাওয়ার তথ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য, বাতাসের গতিবেগ, বন্যার পূর্বাভাস এবং বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখেন। এসব তথ্য কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং জরুরি পরিস্থিতি সম্পর্কে কীভাবে জানা যায়, সে বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি।

এ ছাড়া ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর উন্নয়ন ও বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও চিত্রও দেখেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।