গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনতে হবে: অর্থমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৬:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 36
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন ও তাদের অর্থনৈতিক মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে রোবাস্ট ইন্টারনেট, ‘এক সিটিজেন এক ওয়ালেট’ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ শীর্ষক গ্রুপ ডায়ালগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকরণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ একে অপরের পরিপূরক। ডিজিটাল অর্থনীতির গতি নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ অপরিহার্য। শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো ছাড়া ডিজিটাল ফিন্যান্সের সুফল পুরোপুরি অর্জন করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে এখন সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হয়েছে। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই স্মার্টফোন পাওয়া যাবে। এর ফলে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের পথ আরও সুগম হয়েছে।
তিনি বলেন, স্মার্টফোন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষকরা সহজেই আবহাওয়ার তথ্য, প্রয়োজনীয় সারের মাত্রা এবং কৃষিপণ্যের বাজারদর সম্পর্কে জানতে পারছেন।
এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগও স্বয়ংক্রিয়ভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণে ভূমিকা রাখছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে উদ্ভাবন যেন থমকে না যায়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সাইবার নিরাপত্তা ও নীতিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।






















