ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 80

ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে কলকাতা যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের যাত্রার আগে আবাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশন। একই সঙ্গে যে হোটেলে অবস্থান করবেন, সেটির নিরাপত্তা ও বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কেও আগেই তথ্য যাচাই করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ উপহাইকমিশন। গত ১৯ আগস্ট কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে আবাসন ব্যবস্থায় যে পরিবর্তিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রয়োজন বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় যাওয়া ব্যক্তিদের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আগে থেকেই হোটেল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করা উচিত। কলকাতায় পৌঁছানোর আগেই নির্ধারিত হোটেলের বুকিং চূড়ান্ত করার পাশাপাশি সেটি বর্তমানে চালু আছে কি না, কক্ষ খালি রয়েছে কি না এবং হোটেলটির অবস্থান কোথায়—এসব বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে।

আরও পড়ুন  ঈদযাত্রা শুরু, ট্রেনে বাড়তি নিরাপত্তা ও বিনা টিকিটে ভ্রমণে জিরো সহনশীলতা

বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় যাওয়া রোগীদের সঙ্গে থাকা স্বজনদের ভ্রমণের আগেই আবাসনের ব্যবস্থা চূড়ান্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বুকিংটি কার্যকর ও বৈধ কি না, কক্ষের প্রাপ্যতা, হোটেল থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের দূরত্ব এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আগেই যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে।

উপহাইকমিশন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকা কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। নিরাপত্তাবিধি ও অন্যান্য প্রশাসনিক শর্ত পূরণ করে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু হতে এক মাসেরও বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা

আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিকিৎসাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে কলকাতা যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের যাত্রার আগে আবাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশন। একই সঙ্গে যে হোটেলে অবস্থান করবেন, সেটির নিরাপত্তা ও বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কেও আগেই তথ্য যাচাই করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ উপহাইকমিশন। গত ১৯ আগস্ট কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে আবাসন ব্যবস্থায় যে পরিবর্তিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রয়োজন বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় যাওয়া ব্যক্তিদের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আগে থেকেই হোটেল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করা উচিত। কলকাতায় পৌঁছানোর আগেই নির্ধারিত হোটেলের বুকিং চূড়ান্ত করার পাশাপাশি সেটি বর্তমানে চালু আছে কি না, কক্ষ খালি রয়েছে কি না এবং হোটেলটির অবস্থান কোথায়—এসব বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে।

আরও পড়ুন  বিক্ষোভের নামে লুটপাট নিতান্তই ছোটলোকি কাজ - আজহারির সতর্ক বার্তা

বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় যাওয়া রোগীদের সঙ্গে থাকা স্বজনদের ভ্রমণের আগেই আবাসনের ব্যবস্থা চূড়ান্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বুকিংটি কার্যকর ও বৈধ কি না, কক্ষের প্রাপ্যতা, হোটেল থেকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের দূরত্ব এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আগেই যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে।

উপহাইকমিশন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকা কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। নিরাপত্তাবিধি ও অন্যান্য প্রশাসনিক শর্ত পূরণ করে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু হতে এক মাসেরও বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।