আগস্টেই আসছে প্রবাসী কার্ড, থাকছে নানা সুবিধা
- আপডেট সময় ১২:০৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
- / 26
বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে এ কার্ড চালু হতে পারে। কার্ডটির মাধ্যমে ডুয়েল কারেন্সি সুবিধাসহ বিভিন্ন সরকারি ও বাণিজ্যিক সেবা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নাগরিকসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এ কার্ড চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর মাধ্যমে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীরা আরও উৎসাহিত হবেন।
প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে ডুয়েল কারেন্সি সুবিধা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটা করা যাবে এবং কার্ডটি দেশে ও বিদেশে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়া কার্ডধারীরা বিমানবন্দরের লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। বিভিন্ন সেবায় মূল্যছাড়ের পাশাপাশি বিমান টিকিট ও হোটেল ভাড়ায় ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন প্রবাসী সিটি ও আবাসন প্রকল্পে কার্ডধারীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
কার্ডটিতে বিএমইটি-সংশ্লিষ্ট বীমা ও পুনর্বাসন সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর আওতায় আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং রেমিট্যান্সে অতিরিক্ত সরকারি প্রণোদনার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, বর্তমানে রেমিট্যান্সে যে আড়াই শতাংশ সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, তা প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ৩ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দুই লাখ মানুষের হাতে এ কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি দেশে পাঁচ হাজার প্রবাসীকে কার্ড দেওয়া হবে। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই এটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মালয়েশিয়াপ্রবাসী পাভেল সারওয়ার। তার মতে, ঘোষিত সুযোগ-সুবিধাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতে বিএমইটি কার্ড ব্যবহারে যেসব হয়রানি ও জটিলতার অভিযোগ ছিল, নতুন প্রবাসী কার্ডে সেসব সমস্যার পুনরাবৃত্তি হবে না।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রবাসীদের হাতে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।



















