রাজধানীর যানজট নিরসনে নতুন অবকাঠামো পরিকল্পনা
- আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
- / 1
রাজধানী ঢাকার যানজট কমাতে ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের কার্যকর ব্যবহারের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট কীভাবে কমানো সম্ভব হবে, সে বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত উপস্থাপনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতিও জানানো হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, গাবতলী থেকে বাবুবাজার এবং পোস্তগোলা থেকে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পের রায়েরবাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশে বর্তমানে নির্মাণকাজ চলছে। এ পর্যন্ত ওই অংশের প্রায় ৪৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
উপস্থাপনায় বলা হয়, রিং রোড নির্মাণ শেষ হলে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের রাজধানীর অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবহার করার প্রয়োজন কমবে। এতে নগরের সড়কে যানবাহনের চাপ কমার পাশাপাশি যানজটও হ্রাস পাবে।
এছাড়া ঢাকা শহরকে ঘিরে থাকা ১১০ কিলোমিটার নৌপথ চালুর পরিকল্পনাও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। এ নৌপথ চালু হলে রাজধানীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সহজে যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সড়কের ওপর যানবাহনের চাপও কমবে।
বিশেষজ্ঞরা বৈঠকে প্রকল্পগুলোর কারিগরি দিক উপস্থাপন করে জানান, বিদ্যুৎচালিত নৌযান ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ কমানো, জ্বালানি সাশ্রয় এবং যাতায়াতের সময় হ্রাস করা সম্ভব হবে।
বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক, নৌপরিবহন সচিব মো. জাকারিয়া, রেলপথ সচিব ফাহমিদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী জহিরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিঠুন চন্দ্র শীল এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মাহমুদ আমানত ও অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।


















