ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

৮ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব করল জামায়াত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / 100

ছবি সংগৃহীত

 

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রস্তাবিত এই বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলের পক্ষ থেকে ছায়া বাজেট উপস্থাপন করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করলেন নুরুল হক নূর

বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপনকালে তিনি বলেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের জন্য নয়; বরং দেশের ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের কথা বিবেচনায় রেখেই এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। তার মতে, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে এমন বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অভাব থাকলে যে কোনো বাজেট বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি মনে করেন, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন। তার দাবি, অতীতে গণভোট ও নির্বাচনের কিছু বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং এর প্রভাব প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর পড়ছে।

জামায়াত আমির আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন কর্মসূচির একটি বড় অংশ অর্থবছরের শেষ দিকে দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয় এবং জনগণ প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান অর্থবছরের কাঠামো নিয়েও মত দেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর চললেও বছরের শেষ ভাগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থবছরের সময়সূচি নির্ধারণের প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে জামায়াতের পক্ষ থেকে অর্থনীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন ব্যয় ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

৮ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব করল জামায়াত

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

 

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রস্তাবিত এই বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলের পক্ষ থেকে ছায়া বাজেট উপস্থাপন করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আরও পড়ুন  বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপনকালে তিনি বলেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের জন্য নয়; বরং দেশের ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের কথা বিবেচনায় রেখেই এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। তার মতে, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে এমন বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অভাব থাকলে যে কোনো বাজেট বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি মনে করেন, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন। তার দাবি, অতীতে গণভোট ও নির্বাচনের কিছু বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং এর প্রভাব প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর পড়ছে।

জামায়াত আমির আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন কর্মসূচির একটি বড় অংশ অর্থবছরের শেষ দিকে দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয় এবং জনগণ প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান অর্থবছরের কাঠামো নিয়েও মত দেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর চললেও বছরের শেষ ভাগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থবছরের সময়সূচি নির্ধারণের প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে জামায়াতের পক্ষ থেকে অর্থনীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন ব্যয় ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।