ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সাংবাদিকতায় কোড অব কন্ডাক্ট তৈরির ঘোষণা তথ্য উপদেষ্টার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 83

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের দ্রুত প্রসারের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা ও পেশাগত আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। আজ বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।

উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকতার মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে একটি রেগুলেটরি কাঠামো প্রয়োজন। বিশেষ করে অনলাইন মিডিয়া সহজে চালু করা গেলেও নীতিমালার অভাবে কিছু জটিলতা তৈরি হচ্ছে। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকেও মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকার প্রস্তাব এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে তথ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু করেছে।

আরও পড়ুন  সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান

সরকারের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ জানান, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার তথ্য গোপনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। এ লক্ষ্যে দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা তথ্য কমিশন দ্রুত পুনর্গঠন করা হবে এবং একে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। এতে করে সাধারণ মানুষের তথ্যপ্রাপ্তি আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া বিশেষ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, গুজব প্রতিরোধে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ কার্যক্রম জোরদার করতে একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।

প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সমন্বয়ে দেশে একটি উন্মুক্ত ও কার্যকর তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাংবাদিকতায় কোড অব কন্ডাক্ট তৈরির ঘোষণা তথ্য উপদেষ্টার

আপডেট সময় ০৭:৫১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের দ্রুত প্রসারের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা ও পেশাগত আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। আজ বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।

উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকতার মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে একটি রেগুলেটরি কাঠামো প্রয়োজন। বিশেষ করে অনলাইন মিডিয়া সহজে চালু করা গেলেও নীতিমালার অভাবে কিছু জটিলতা তৈরি হচ্ছে। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকেও মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকার প্রস্তাব এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে তথ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু করেছে।

আরও পড়ুন  সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান

সরকারের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ জানান, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার তথ্য গোপনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। এ লক্ষ্যে দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা তথ্য কমিশন দ্রুত পুনর্গঠন করা হবে এবং একে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। এতে করে সাধারণ মানুষের তথ্যপ্রাপ্তি আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া বিশেষ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, গুজব প্রতিরোধে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ কার্যক্রম জোরদার করতে একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।

প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সমন্বয়ে দেশে একটি উন্মুক্ত ও কার্যকর তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।