ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক যাত্রা সুসংহত করতে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়নি: ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ আদালতে নেওয়ার পথে প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনা; আহত পলক জাপানে ৩ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠানোর বড় লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশের গুলশানে ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু দেশের ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভুয়া সার্টিফিকেটধারী ২৬২ শিক্ষক শনাক্ত রূপপুর প্রকল্প, ২০২৭ সালের মধ্যে লক্ষ্য ১২০০ মেগাওয়াট

ভুয়া সার্টিফিকেটধারী ২৬২ শিক্ষক শনাক্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 21

ছবি সংগৃহীত

 

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২৬২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর সনদ জাল বলে শনাক্ত করেছে শিক্ষা প্রশাসনের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। শনাক্ত হওয়া এই জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এবং তাঁদের এমপিও বন্ধের সুপারিশসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া ২৬২ জনের মধ্যে ২৫১ জনই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদ জাল করে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। বাকি ১১ জন অন্যান্য শিক্ষাগত সনদ জাল করেছেন। এই তালিকা ইতোমধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

ডিআইএ জানিয়েছে, এই জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীরা এ পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের প্রায় ৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে এনটিআরসিএ সনদ জালকারীদের কাছ থেকে ৪৮ কোটি টাকা এবং অন্যদের কাছ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সাথে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও এমপিও বাতিলের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে অধিদপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবে।

এর আগে স্কুল ও কলেজে কর্মরত ৪৭১ জন জাল সনদধারীকে শনাক্ত করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত শিক্ষা খাতে জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪৯ জনে। যদিও ২০২৩ সালে শনাক্ত হওয়া অনেকের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট চলমান থাকায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কিছুটা জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এবারের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনড় অবস্থানে রয়েছে শিক্ষা প্রশাসন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ভুয়া সার্টিফিকেটধারী ২৬২ শিক্ষক শনাক্ত

আপডেট সময় ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২৬২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর সনদ জাল বলে শনাক্ত করেছে শিক্ষা প্রশাসনের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। শনাক্ত হওয়া এই জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এবং তাঁদের এমপিও বন্ধের সুপারিশসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া ২৬২ জনের মধ্যে ২৫১ জনই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদ জাল করে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। বাকি ১১ জন অন্যান্য শিক্ষাগত সনদ জাল করেছেন। এই তালিকা ইতোমধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

ডিআইএ জানিয়েছে, এই জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীরা এ পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের প্রায় ৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে এনটিআরসিএ সনদ জালকারীদের কাছ থেকে ৪৮ কোটি টাকা এবং অন্যদের কাছ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সাথে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও এমপিও বাতিলের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে অধিদপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবে।

এর আগে স্কুল ও কলেজে কর্মরত ৪৭১ জন জাল সনদধারীকে শনাক্ত করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত শিক্ষা খাতে জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪৯ জনে। যদিও ২০২৩ সালে শনাক্ত হওয়া অনেকের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট চলমান থাকায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কিছুটা জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এবারের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনড় অবস্থানে রয়েছে শিক্ষা প্রশাসন।