ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, গড়লেন নতুন ইতিহাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • / 9

ছবি: সংগৃহীত

 

মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর সম্পদের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। আইপিও-পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার, ১২ জুন নাসডাক শেয়ারবাজারে স্পেসএক্সের ক্লাস-এ শেয়ার প্রতি ১৩৫ ডলার দরে বিক্রি করা হয়। কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে, যা ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আইপিও হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  টেসলার আয় কমেছে, সরকারি দায়িত্বে কমিয়ে ফেলার বার্তা ইলন মাস্কের

তালিকাভুক্তির পর স্পেসএক্সের বাজারমূল্য প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটির ওপর ইলন মাস্কের নিয়ন্ত্রণও বহাল রয়েছে। আইপিও-পরবর্তী অবস্থায় তার হাতে প্রায় ৮৪ কোটি ৯৫ লাখ ক্লাস-এ শেয়ার এবং ৫৫৭ কোটি ক্লাস-বি শেয়ার রয়েছে। এর ফলে কোম্পানির মোট ভোটিং ক্ষমতার ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেসএক্সে মাস্কের মালিকানাধীন শেয়ারের কাগুজে মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৬৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলায় তার প্রায় ৭১ কোটি ৭১ লাখ শেয়ার রয়েছে। টেসলার শেয়ারদর ৩৯৯ দশমিক ১৫ ডলার ধরে তার মালিকানাধীন শেয়ারের বাজারমূল্য প্রায় ২৮৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার হিসেবে হিসাব করা হয়েছে।

স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারসহ অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈদ্যুতিক যানবাহন, মহাকাশ প্রযুক্তি, রোবোটিকস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ মাস্কের সম্পদ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছেন।

এদিকে বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনফরমা কানেক্টের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মাস্কের সম্পদ প্রতি বছর গড়ে ১১০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংও ২০২৮ সালের মধ্যে ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার সম্ভাবনা রাখেন।

সূত্র: রয়টার্স, দ্য ইকোনমিক টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, গড়লেন নতুন ইতিহাস

আপডেট সময় ০৬:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

 

মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর সম্পদের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। আইপিও-পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার, ১২ জুন নাসডাক শেয়ারবাজারে স্পেসএক্সের ক্লাস-এ শেয়ার প্রতি ১৩৫ ডলার দরে বিক্রি করা হয়। কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে, যা ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আইপিও হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইলন মাস্কের সন্তানদের জন্য মোদির বিশেষ প্রযুক্তিগত উপহার

তালিকাভুক্তির পর স্পেসএক্সের বাজারমূল্য প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটির ওপর ইলন মাস্কের নিয়ন্ত্রণও বহাল রয়েছে। আইপিও-পরবর্তী অবস্থায় তার হাতে প্রায় ৮৪ কোটি ৯৫ লাখ ক্লাস-এ শেয়ার এবং ৫৫৭ কোটি ক্লাস-বি শেয়ার রয়েছে। এর ফলে কোম্পানির মোট ভোটিং ক্ষমতার ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেসএক্সে মাস্কের মালিকানাধীন শেয়ারের কাগুজে মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৬৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলায় তার প্রায় ৭১ কোটি ৭১ লাখ শেয়ার রয়েছে। টেসলার শেয়ারদর ৩৯৯ দশমিক ১৫ ডলার ধরে তার মালিকানাধীন শেয়ারের বাজারমূল্য প্রায় ২৮৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার হিসেবে হিসাব করা হয়েছে।

স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারসহ অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈদ্যুতিক যানবাহন, মহাকাশ প্রযুক্তি, রোবোটিকস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ মাস্কের সম্পদ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছেন।

এদিকে বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনফরমা কানেক্টের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মাস্কের সম্পদ প্রতি বছর গড়ে ১১০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংও ২০২৮ সালের মধ্যে ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার সম্ভাবনা রাখেন।

সূত্র: রয়টার্স, দ্য ইকোনমিক টাইমস