ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 166

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীদের যোগদানের সুযোগ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি মন্তব্য করেছেন, ছাত্রলীগের কর্মীদের জন্য যদি এনসিপির দুয়ার খোলা থাকে, তবে আওয়ামী লীগকেও আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত।

আজ রোববার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, “অতীতে কেউ ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ করুক—সেটি আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজ থেকে যারা এনসিপিতে আসবে, তারা দলের আদর্শ ধারণ করে এনসিপির সংগঠক হিসেবে কাজ করবে।”

আরও পড়ুন  বেনাপোলে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে গোপালগঞ্জ আ.লীগের নেতা গ্রেফতার

নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ খান তার পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, “যেহেতু অতীতে ছাত্রলীগ করলেও বর্তমানে এনসিপি করা যাবে, তাহলে অতীতে আওয়ামী লীগ করলে তারা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ করতে পারবে না?” তিনি আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল এবং এর কর্মীদের আন্ডারগ্রাউন্ডে ঠেলে না দিয়ে স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

রাশেদ খান তার বক্তব্যে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগের কেউ এনসিপিতে পুনর্বাসিত হোক, কেউ জামায়াতে, কেউ আবার রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হিসেবে। আশা করি, এতে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করে কণ্ঠভোটে পাস করিয়ে আনবেন।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পটভূমির নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই রাশেদ খানের এই মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি নিয়ে তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান

আপডেট সময় ০৫:৫৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীদের যোগদানের সুযোগ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি মন্তব্য করেছেন, ছাত্রলীগের কর্মীদের জন্য যদি এনসিপির দুয়ার খোলা থাকে, তবে আওয়ামী লীগকেও আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত।

আজ রোববার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, “অতীতে কেউ ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ করুক—সেটি আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজ থেকে যারা এনসিপিতে আসবে, তারা দলের আদর্শ ধারণ করে এনসিপির সংগঠক হিসেবে কাজ করবে।”

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করল ডিবি

নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ খান তার পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, “যেহেতু অতীতে ছাত্রলীগ করলেও বর্তমানে এনসিপি করা যাবে, তাহলে অতীতে আওয়ামী লীগ করলে তারা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ করতে পারবে না?” তিনি আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল এবং এর কর্মীদের আন্ডারগ্রাউন্ডে ঠেলে না দিয়ে স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

রাশেদ খান তার বক্তব্যে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগের কেউ এনসিপিতে পুনর্বাসিত হোক, কেউ জামায়াতে, কেউ আবার রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হিসেবে। আশা করি, এতে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করে কণ্ঠভোটে পাস করিয়ে আনবেন।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পটভূমির নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই রাশেদ খানের এই মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি নিয়ে তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হচ্ছে।