ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুয়েতের তেলক্ষেত্রে ইরানি ড্রোন হামলা ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতির শঙ্কা চলন্ত লরিতে আগুন, চালকের বুদ্ধিমত্তায় রক্ষা পেল ফিলিং স্টেশন দেশে হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আনোয়ারুল হক আর নেই শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি ১৯ এপ্রিল রাত ৭টা পর্যন্ত চলবে বিকিকিনি: নতুন সময়সীমা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ হাম দমনে বিশেষ টিকাদান শুরু: অতীতের অবহেলাকে দায়ী করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্কিন পাইলট উদ্ধার অভিযানে পাঁচজন নিহত: আইআরজিসি কুমিল্লায় বাসস্ট্যান্ডে ৩টি এসি বাসে রহস্যময় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট

হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত আসছে ভ্যাকসিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 36

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আমরা দ্রুত ভ্যাকসিন সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছি। ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন কেনার জন্য পারচেজ কমিটি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটি থেকে ৬০৪ কোটি টাকার অনুমোদন পাওয়া গেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছাবে এবং আসার সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।” তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  হাম দমনে বিশেষ টিকাদান শুরু: অতীতের অবহেলাকে দায়ী করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালের পর দেশে বড় ধরনের কোনো বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছর পরপর বাদ পড়া ও নতুন জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত এক দশকে সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকেনি। ফলে টিকার বাইরে থেকে যাওয়া শিশুদের মধ্যেই এখন হাম মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দ্রুততম সময়ে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং বিশেষ ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ করে ডিএনসিসি হাসপাতালের বিশাল স্পেস পরিষ্কার করে হাম রোগীদের জন্য পুনরায় সচল করা হয়েছে।

এছাড়া মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ এবং রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশন ও বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে যা অতীতে কখনো হয়নি।”

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং চলমান স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পরিদর্শন ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করে দ্রুত এই সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত আসছে ভ্যাকসিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

 

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আমরা দ্রুত ভ্যাকসিন সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছি। ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন কেনার জন্য পারচেজ কমিটি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটি থেকে ৬০৪ কোটি টাকার অনুমোদন পাওয়া গেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছাবে এবং আসার সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।” তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালের পর দেশে বড় ধরনের কোনো বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছর পরপর বাদ পড়া ও নতুন জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত এক দশকে সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকেনি। ফলে টিকার বাইরে থেকে যাওয়া শিশুদের মধ্যেই এখন হাম মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দ্রুততম সময়ে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং বিশেষ ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ করে ডিএনসিসি হাসপাতালের বিশাল স্পেস পরিষ্কার করে হাম রোগীদের জন্য পুনরায় সচল করা হয়েছে।

এছাড়া মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ এবং রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশন ও বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে যা অতীতে কখনো হয়নি।”

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং চলমান স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পরিদর্শন ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করে দ্রুত এই সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।