ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অবসর নাকি সপ্তম বিশ্বকাপ, মেসি স্পষ্ট করলেন অবস্থান ‘ঝর্ণা ছিলেন বৈধ স্ত্রী’, রয়েল রিসোর্ট ইস্যুতে মামুনুলের দাবি মধ্যরাতের মাঝেই একাধিক অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছাগল উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ গেল একই পরিবারের চারজনের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে উসকানির চেষ্টা হচ্ছে: রিজভী বারবার রাস্তা খনন বন্ধে সমন্বিত পরিকল্পনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন, বেনজীর প্রত্যর্পণে আশাবাদ সরকার ২৩ জুন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

নারায়ণগঞ্জে ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যা করলো বাবা-মা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 395

ছবি সংগৃহীত

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সড়কের পাশের ড্রেন থেকে জনি সরকার (২৫) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার বাবা ও মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ জুন) রাতে ফতুল্লার লালখা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নিহত জনির বাবা করুনা সরকার (৫৩) ও মা অনিতা রানী সরকার (৪৮)। তারা সপরিবারে ফতুল্লার শিয়াচর লালখা এলাকার দুলালের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন  ‘ঝর্ণা ছিলেন বৈধ স্ত্রী’, রয়েল রিসোর্ট ইস্যুতে মামুনুলের দাবি

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় ড্রেনের ভেতর থেকে একটি বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জনি সরকারের বাবা তার ছেলের মরদেহ বলে শনাক্ত করে। ঘটনার পর নিহত জনির বাবা নিজেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশ তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বাবা-মায়ের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায় হত্যাকাণ্ডে এবং তাদের গ্রেপ্তার করে।

ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, নিহত জনি সরকার একজন মাদকাসক্ত এবং বখাটে প্রকৃতির যুবক ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই বাবা-মাকে মারধর করতেন তিনি। ঘটনার দিন, সোমবার রাতেও টাকার জন্য তিনি খারাপ ব্যবহার করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে, জনির বাবা ঘুমন্ত ছেলেকে প্রথমে রুটি বানানোর কাঠের বেলুন দিয়ে মাথা ও মুখে আঘাত করে অচেতন করেন। এরপর শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করেন। পরে রাত আনুমানিক ২টার দিকে জনির হাত-পা বেঁধে একটি বস্তায় ভরে মরদেহ নিজেই মাথায় করে বাড়ির পাশে লালখা মোস্তফার গলির ড্রেনে ফেলে রেখে আসেন।

ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জনির বাবা-মা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জে ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যা করলো বাবা-মা

আপডেট সময় ০৫:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সড়কের পাশের ড্রেন থেকে জনি সরকার (২৫) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার বাবা ও মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ জুন) রাতে ফতুল্লার লালখা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নিহত জনির বাবা করুনা সরকার (৫৩) ও মা অনিতা রানী সরকার (৪৮)। তারা সপরিবারে ফতুল্লার শিয়াচর লালখা এলাকার দুলালের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন  নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র আইভীর জামিন নাকচ করলো আদালত

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় ড্রেনের ভেতর থেকে একটি বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জনি সরকারের বাবা তার ছেলের মরদেহ বলে শনাক্ত করে। ঘটনার পর নিহত জনির বাবা নিজেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশ তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বাবা-মায়ের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায় হত্যাকাণ্ডে এবং তাদের গ্রেপ্তার করে।

ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, নিহত জনি সরকার একজন মাদকাসক্ত এবং বখাটে প্রকৃতির যুবক ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই বাবা-মাকে মারধর করতেন তিনি। ঘটনার দিন, সোমবার রাতেও টাকার জন্য তিনি খারাপ ব্যবহার করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে, জনির বাবা ঘুমন্ত ছেলেকে প্রথমে রুটি বানানোর কাঠের বেলুন দিয়ে মাথা ও মুখে আঘাত করে অচেতন করেন। এরপর শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করেন। পরে রাত আনুমানিক ২টার দিকে জনির হাত-পা বেঁধে একটি বস্তায় ভরে মরদেহ নিজেই মাথায় করে বাড়ির পাশে লালখা মোস্তফার গলির ড্রেনে ফেলে রেখে আসেন।

ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জনির বাবা-মা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।