ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

সন্ত্রাসী ইহুদিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আমাদের জবাব হবে কঠোর ও চূড়ান্ত: খামেনি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 619

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায়। এরই মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইরান তাদের প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি দখলদারদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৮ জুন) এক সরকারি বিবৃতিতে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, “সন্ত্রাসী ইহুদিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আমাদের জবাব হবে কঠোর ও চূড়ান্ত। ইহুদিবাদীদের প্রতি বিন্দুমাত্র দয়া দেখানো হবে না।”

আরও পড়ুন  নৌ পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি, ৫ পুলিশ গুলিবিদ্ধ

এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকির সুরে মন্তব্য করে বলেন, “আমরা ঠিক জানি খামেনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। যদিও তিনি এখন নিরাপদ, তবে আমাদের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে আসছে।”

এমন উত্তপ্ত বক্তব্যের পেছনে পটভূমি হিসেবে রয়েছে গত শুক্রবার রাতে ইসরায়েলের চালানো একযোগে বিমান হামলা। ওই হামলায় ইরানের একাধিক সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে জবাব দেয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের হামলায় তাদের অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে শতাধিক মানুষ। অপরদিকে ইরান দাবি করেছে, ইসরায়েলি বোমা হামলায় তাদের ২২৪ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং আহত হয়েছে এক হাজারেরও বেশি।

চলমান এই সংঘাত শুধু ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া এক অস্থিরতা ও শঙ্কার নাম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা এবং উভয়পক্ষের কড়া বিবৃতি যুদ্ধের আরও ভয়াবহ বিস্তার ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত এখনো নেই। বরং পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো একদিকে যেমন সতর্ক নজর রাখছে, অন্যদিকে রাশিয়া ও চীন মুখে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও বাস্তবতা বলছে ভিন্ন গল্প।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

নিউজটি শেয়ার করুন

সন্ত্রাসী ইহুদিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আমাদের জবাব হবে কঠোর ও চূড়ান্ত: খামেনি

আপডেট সময় ০৮:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায়। এরই মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইরান তাদের প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি দখলদারদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৮ জুন) এক সরকারি বিবৃতিতে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, “সন্ত্রাসী ইহুদিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আমাদের জবাব হবে কঠোর ও চূড়ান্ত। ইহুদিবাদীদের প্রতি বিন্দুমাত্র দয়া দেখানো হবে না।”

আরও পড়ুন  ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে খামেনির দাফন সম্পন্ন

এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকির সুরে মন্তব্য করে বলেন, “আমরা ঠিক জানি খামেনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। যদিও তিনি এখন নিরাপদ, তবে আমাদের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে আসছে।”

এমন উত্তপ্ত বক্তব্যের পেছনে পটভূমি হিসেবে রয়েছে গত শুক্রবার রাতে ইসরায়েলের চালানো একযোগে বিমান হামলা। ওই হামলায় ইরানের একাধিক সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে জবাব দেয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের হামলায় তাদের অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে শতাধিক মানুষ। অপরদিকে ইরান দাবি করেছে, ইসরায়েলি বোমা হামলায় তাদের ২২৪ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং আহত হয়েছে এক হাজারেরও বেশি।

চলমান এই সংঘাত শুধু ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া এক অস্থিরতা ও শঙ্কার নাম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা এবং উভয়পক্ষের কড়া বিবৃতি যুদ্ধের আরও ভয়াবহ বিস্তার ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত এখনো নেই। বরং পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো একদিকে যেমন সতর্ক নজর রাখছে, অন্যদিকে রাশিয়া ও চীন মুখে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও বাস্তবতা বলছে ভিন্ন গল্প।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি