ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

গ্রাহক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম কমালো বিটিআরসি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / 673

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে গ্রাহক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার মূল্য আরও কমিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গত ১৮ মে, রোববার বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগ থেকে জারি করা একটি পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

বিটিআরসি জানায়, ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ সাধারণ মানুষের নাগালে আনতে একটি গ্রাহকবান্ধব ও বাস্তবভিত্তিক ট্যারিফ কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) এর জন্য প্রযোজ্য হবে। প্রণীত খসড়াটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সরকারের অনুমোদন পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  লাইসেন্স হাতে পেল স্টারলিংক

নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, ৫ এমবিপিএস সংযোগে মাসিক বিল ৫০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ১০ এমবিপিএস সংযোগে ৮০০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস সংযোগে ১২০০ টাকার পরিবর্তে ১১০০ টাকা বিল দিতে হবে গ্রাহকদের।

বিটিআরসির পরিপত্র অনুযায়ী, এই ট্যারিফ কাঠামো ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়ে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর বলবৎ থাকবে। পরবর্তীতে কমিশনের অনুমোদন ব্যতীত এটি পরিবর্তন করা যাবে না, তবে বাজার পরিস্থিতি ও গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় কমিশন যেকোনো সময় তা সংশোধন করতে পারবে।

সেবার মান নিশ্চিত করতে গ্রেড এ, বি ও সি মোতাবেক নির্ধারিত মান বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গ্রাহক যদি পরপর পাঁচ দিন ইন্টারনেট সেবা না পান, তাহলে সংশ্লিষ্ট মাসে বিলের ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন। ১০ দিন সেবা না পেলে ২৫ শতাংশ এবং টানা ১৫ দিন না পেলে সে মাসের সম্পূর্ণ বিল মওকুফ করা হবে।

ট্যারিফ অনুযায়ী, সব আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে কমিশনের অনুমোদিত চার্জ তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। এছাড়া অনুমোদনহীন কোনো সেবা পরিচালনা করলে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন এ উদ্যোগের ফলে দেশের ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীরা সাশ্রয়ী খরচে উন্নতমানের ইন্টারনেট সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রাহক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম কমালো বিটিআরসি

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

 

বাংলাদেশে গ্রাহক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার মূল্য আরও কমিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গত ১৮ মে, রোববার বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগ থেকে জারি করা একটি পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

বিটিআরসি জানায়, ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ সাধারণ মানুষের নাগালে আনতে একটি গ্রাহকবান্ধব ও বাস্তবভিত্তিক ট্যারিফ কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) এর জন্য প্রযোজ্য হবে। প্রণীত খসড়াটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সরকারের অনুমোদন পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  স্টারলিংককে লাইসেন্স দিতে সুপারিশ, মন্ত্রণালয়ে বিটিআরসির চিঠি

নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, ৫ এমবিপিএস সংযোগে মাসিক বিল ৫০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ১০ এমবিপিএস সংযোগে ৮০০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস সংযোগে ১২০০ টাকার পরিবর্তে ১১০০ টাকা বিল দিতে হবে গ্রাহকদের।

বিটিআরসির পরিপত্র অনুযায়ী, এই ট্যারিফ কাঠামো ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়ে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর বলবৎ থাকবে। পরবর্তীতে কমিশনের অনুমোদন ব্যতীত এটি পরিবর্তন করা যাবে না, তবে বাজার পরিস্থিতি ও গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় কমিশন যেকোনো সময় তা সংশোধন করতে পারবে।

সেবার মান নিশ্চিত করতে গ্রেড এ, বি ও সি মোতাবেক নির্ধারিত মান বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গ্রাহক যদি পরপর পাঁচ দিন ইন্টারনেট সেবা না পান, তাহলে সংশ্লিষ্ট মাসে বিলের ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন। ১০ দিন সেবা না পেলে ২৫ শতাংশ এবং টানা ১৫ দিন না পেলে সে মাসের সম্পূর্ণ বিল মওকুফ করা হবে।

ট্যারিফ অনুযায়ী, সব আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে কমিশনের অনুমোদিত চার্জ তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। এছাড়া অনুমোদনহীন কোনো সেবা পরিচালনা করলে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন এ উদ্যোগের ফলে দেশের ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীরা সাশ্রয়ী খরচে উন্নতমানের ইন্টারনেট সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।