ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি, শিগগিরই চালের বাজার স্বাভাবিক হবে: খাদ্য উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 704

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে এবং বোরো ধানের ভালো উৎপাদনের ফলে খুব শিগগিরই চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

শনিবার যশোর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার খাদ্য সংগ্রহ, মজুত ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  আসন্ন রমজান মাসে ৫০ লাখ পরিবারকে ৩০ টাকা কেজিতে চাল দেবে সরকার: খাদ্য উপদেষ্টা

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, “চলতি মৌসুমে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুদ হয়েছে। বর্তমানে দেশের খাদ্য মজুদের পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক।”

তিনি আরও জানান, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় বোরো ধানের উৎপাদন নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ৭২ শতাংশ ধান ও চাল সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

চালের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল না হওয়া প্রসঙ্গে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, “যদি মজুদের এই স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, তাহলে খুব শিগগিরই চালের বাজার সহনীয় হয়ে উঠবে। তবে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট থাকলে সরকার তা ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে দাম এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে যাতে কৃষক তার উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত না হন।”

তিনি আরও বলেন, “দক্ষিণাঞ্চলে সরু জাতের ধান চাষের কারণে কিছু সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং ভবিষ্যতে এর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”

মতবিনিময় সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য বিভাগের মহাপরিচালক আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবির, যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আলমগীর বিশ্বাস, যশোর জেলা উপপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন এবং খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসক ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি, শিগগিরই চালের বাজার স্বাভাবিক হবে: খাদ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে এবং বোরো ধানের ভালো উৎপাদনের ফলে খুব শিগগিরই চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

শনিবার যশোর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার খাদ্য সংগ্রহ, মজুত ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: খাদ্য উপদেষ্টা

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, “চলতি মৌসুমে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুদ হয়েছে। বর্তমানে দেশের খাদ্য মজুদের পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক।”

তিনি আরও জানান, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় বোরো ধানের উৎপাদন নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ৭২ শতাংশ ধান ও চাল সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

চালের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল না হওয়া প্রসঙ্গে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, “যদি মজুদের এই স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, তাহলে খুব শিগগিরই চালের বাজার সহনীয় হয়ে উঠবে। তবে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট থাকলে সরকার তা ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে দাম এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে যাতে কৃষক তার উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত না হন।”

তিনি আরও বলেন, “দক্ষিণাঞ্চলে সরু জাতের ধান চাষের কারণে কিছু সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং ভবিষ্যতে এর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”

মতবিনিময় সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য বিভাগের মহাপরিচালক আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবির, যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আলমগীর বিশ্বাস, যশোর জেলা উপপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন এবং খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসক ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তারা।