ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পারভেজ হত্যা মামলায় দুই তরুণীর একজনের গ্রেফতারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • / 529

ছবি: সংগৃহীত

 

রাজধানীর বনানীতে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার ঘটনায় আলোচিত দুই তরুণীর একজন, ফারিয়া হক তিনাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৮ মে) রাত ৯টার দিকে রাজধানীর নর্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (০৯ মে) সকালে ঢাকা মেইলকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বনানী থানার অপারেশন কর্মকর্তা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম মঈন উদ্দিন। তিনি জানান, আলোচিত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ছাত্রীয়ের মধ্যে ফারিয়া হক তিনা একজন, এবং অপর ছাত্রীকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন  হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার

এদিকে, গত ২৩ এপ্রিল প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার এক নম্বর আসামী মেহরাজকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এর আগে, রাজধানীর মহাখালী থেকে গ্রেফতার করা হয় কামাল হোসেন, আলভী হোসেন জুনায়েদ ও আল আমিন সানিকে। পরে গ্রেফতার হন আরেক আসামী হৃদয় মিয়াজি, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বনানী থানার যুগ্ম সদস্য সচিব।

গত ১৯ এপ্রিল বিকেলে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের দুই ছাত্রীকে নিয়ে হাসাহাসির কারণে প্রাইম এশিয়ার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পারভেজের বাগবিতণ্ডা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনা পরে মীমাংসা করা হয়। তবে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার সময় পারভেজকে ৩০ থেকে ৪০ জন ঘেরাও করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পরদিন, ২০ এপ্রিল, পারভেজের ফুফাতো ভাই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলা করেন। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি ও ইংরেজি বিভাগের তিন ছাত্র মাহাথি, মেহেরাব, আবুজর গিফারীসহ মোট আটজনকে আসামী করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০-৩০ জনকে আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

পারভেজ হত্যা মামলায় দুই তরুণীর একজনের গ্রেফতারি

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

 

রাজধানীর বনানীতে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার ঘটনায় আলোচিত দুই তরুণীর একজন, ফারিয়া হক তিনাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৮ মে) রাত ৯টার দিকে রাজধানীর নর্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (০৯ মে) সকালে ঢাকা মেইলকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বনানী থানার অপারেশন কর্মকর্তা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম মঈন উদ্দিন। তিনি জানান, আলোচিত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ছাত্রীয়ের মধ্যে ফারিয়া হক তিনা একজন, এবং অপর ছাত্রীকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

এদিকে, গত ২৩ এপ্রিল প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার এক নম্বর আসামী মেহরাজকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এর আগে, রাজধানীর মহাখালী থেকে গ্রেফতার করা হয় কামাল হোসেন, আলভী হোসেন জুনায়েদ ও আল আমিন সানিকে। পরে গ্রেফতার হন আরেক আসামী হৃদয় মিয়াজি, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বনানী থানার যুগ্ম সদস্য সচিব।

গত ১৯ এপ্রিল বিকেলে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের দুই ছাত্রীকে নিয়ে হাসাহাসির কারণে প্রাইম এশিয়ার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পারভেজের বাগবিতণ্ডা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনা পরে মীমাংসা করা হয়। তবে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার সময় পারভেজকে ৩০ থেকে ৪০ জন ঘেরাও করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পরদিন, ২০ এপ্রিল, পারভেজের ফুফাতো ভাই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলা করেন। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি ও ইংরেজি বিভাগের তিন ছাত্র মাহাথি, মেহেরাব, আবুজর গিফারীসহ মোট আটজনকে আসামী করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০-৩০ জনকে আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।