ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাকিব ফিরলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়: শান্ত চিলি: আন্দেস থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এক দীর্ঘ দেশ সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রাণ গেল ফায়ার সার্ভিস সদস্যের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ ও ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ সেলের অগ্রগতি পর্যালোচনা আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা থেকে চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে অভিযান চালানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি: সীমান্ত বন্ধে দিশেহারা ২০ লাখ মানুষ দুবাইয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট কর্পোরেট প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চীন-আফগানিস্তান সংযোগ সড়ক: নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫
  • / 164

ছবি সংগৃহীত

 

আফগানিস্তান শিগগিরই ওয়াখান করিডোর হয়ে একটি নতুন মহাসড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে, যা দেশটিকে চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন থাকা এই করিডোর নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।

এই সড়কটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে এবং আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ মহাসড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করা গেলে চীনের জন্য মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে ইরান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সংযোগ স্থাপন সহজ হবে। এটি হবে এক নতুন বাণিজ্য পথ, যা চীনের বহির্বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  টেকনাফে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা, কৃষকদের স্বপ্ন তেল উৎপাদন

বিশ্লেষকদের মতে, এই মহাসড়ক One Belt One Road Initiative-এর (OBOR) জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করবে, যা চীনের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ নীতির অংশ। তবে এই প্রকল্পের অন্যতম সুবিধা হলো, এটি পাকিস্তান ও মধ্য এশিয়ার কিছু নিরাপত্তা-ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য বিকল্প রুট তৈরি করবে। ফলে One Belt One Road Initiative-এর নিরবচ্ছিন্ন অগ্রযাত্রা আরও নিশ্চিত হবে।

আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান এই প্রকল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। চীনের সঙ্গে সংযুক্ত এই নতুন সড়ক পথ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বাড়িয়ে আফগানিস্তানের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন সহজ হবে না। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হলে এই উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি এই প্রকল্পের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে সবকিছু অনুকূলে থাকলে চীন-আফগানিস্তান সংযোগ সড়ক মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা উন্মোচন করবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীন-আফগানিস্তান সংযোগ সড়ক: নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে

আপডেট সময় ১২:১৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

 

আফগানিস্তান শিগগিরই ওয়াখান করিডোর হয়ে একটি নতুন মহাসড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে, যা দেশটিকে চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন থাকা এই করিডোর নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।

এই সড়কটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে এবং আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ মহাসড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করা গেলে চীনের জন্য মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে ইরান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সংযোগ স্থাপন সহজ হবে। এটি হবে এক নতুন বাণিজ্য পথ, যা চীনের বহির্বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  টেকনাফে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা, কৃষকদের স্বপ্ন তেল উৎপাদন

বিশ্লেষকদের মতে, এই মহাসড়ক One Belt One Road Initiative-এর (OBOR) জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করবে, যা চীনের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ নীতির অংশ। তবে এই প্রকল্পের অন্যতম সুবিধা হলো, এটি পাকিস্তান ও মধ্য এশিয়ার কিছু নিরাপত্তা-ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য বিকল্প রুট তৈরি করবে। ফলে One Belt One Road Initiative-এর নিরবচ্ছিন্ন অগ্রযাত্রা আরও নিশ্চিত হবে।

আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান এই প্রকল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। চীনের সঙ্গে সংযুক্ত এই নতুন সড়ক পথ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বাড়িয়ে আফগানিস্তানের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন সহজ হবে না। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হলে এই উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি এই প্রকল্পের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে সবকিছু অনুকূলে থাকলে চীন-আফগানিস্তান সংযোগ সড়ক মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা উন্মোচন করবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।