ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাকিব ফিরলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়: শান্ত চিলি: আন্দেস থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এক দীর্ঘ দেশ সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রাণ গেল ফায়ার সার্ভিস সদস্যের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ ও ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ সেলের অগ্রগতি পর্যালোচনা আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা থেকে চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে অভিযান চালানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি: সীমান্ত বন্ধে দিশেহারা ২০ লাখ মানুষ দুবাইয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট কর্পোরেট প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বান্দরবানে সেনা অভিযানে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির কমান্ডারসহ ২ সন্ত্রাসী নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 185

ছবি সংগৃহীত

 

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর অভিযানে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ)-এর কমান্ডারসহ দুই সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  বাঁশ কুড়াল খুজতে গিয়ে কিশোরী পা বিচ্ছিন্ন

আইএসপিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রুমার দুর্গম পাহাড়ে পরিচালিত এ অভিযানে কেএনএ এর দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন সংগঠনটির কমান্ডার বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযানে সেনাবাহিনী তিনটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), একটি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। বর্তমানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত থেকে রুমা উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য, জঙ্গলের মধ্যে দুটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা পরে সেনাবাহিনী উদ্ধার করে।

প্রসঙ্গত, কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি সম্প্রতি পার্বত্য এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে।

সেনাবাহিনীর সূত্র বলছে, পাহাড়ি অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান আরও চলবে। একইসঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা রুখতে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কার্যক্রমও চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতায় তারা আতঙ্কে ছিলেন। সেনাবাহিনীর এ অভিযান তাদের মধ্যে স্বস্তি ফেরাবে বলে মনে করছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানে সেনা অভিযানে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির কমান্ডারসহ ২ সন্ত্রাসী নিহত

আপডেট সময় ১০:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর অভিযানে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ)-এর কমান্ডারসহ দুই সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  পাহাড় ধ্বসে আশঙ্কায় বান্দরবানের ৯০টি রিসোর্ট বন্ধ

আইএসপিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রুমার দুর্গম পাহাড়ে পরিচালিত এ অভিযানে কেএনএ এর দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন সংগঠনটির কমান্ডার বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযানে সেনাবাহিনী তিনটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), একটি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। বর্তমানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত থেকে রুমা উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য, জঙ্গলের মধ্যে দুটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা পরে সেনাবাহিনী উদ্ধার করে।

প্রসঙ্গত, কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি সম্প্রতি পার্বত্য এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে।

সেনাবাহিনীর সূত্র বলছে, পাহাড়ি অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান আরও চলবে। একইসঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা রুখতে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কার্যক্রমও চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতায় তারা আতঙ্কে ছিলেন। সেনাবাহিনীর এ অভিযান তাদের মধ্যে স্বস্তি ফেরাবে বলে মনে করছেন তারা।