ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাকিব ফিরলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়: শান্ত চিলি: আন্দেস থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এক দীর্ঘ দেশ সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রাণ গেল ফায়ার সার্ভিস সদস্যের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ ও ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ সেলের অগ্রগতি পর্যালোচনা আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা থেকে চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে অভিযান চালানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি: সীমান্ত বন্ধে দিশেহারা ২০ লাখ মানুষ দুবাইয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট কর্পোরেট প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ৬০০ ফাঁদ ও নিষিদ্ধ কাঁকড়া চারু জব্দ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 148

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবনের অভ্যন্তরে হরিণ শিকারে ব্যবহৃত প্রায় ৬০০টি ফাঁদ এবং কাঁকড়া ধরার নিষিদ্ধ ১৬টি চারু জব্দ করেছে বনবিভাগ। সোমবার (গতকাল) পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির টিয়ারচর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, দুবলা জেলে পল্লীর পাশে কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির আওতাধীন টিয়ারচর এলাকায় নিয়মিত টহলে ছিলেন বনপ্রহরীরা। নৌকা ও পায়ে হেঁটে দেওয়া ওই টহলের সময় বনের ভেতরে চোরা শিকারীদের পেতে রাখা হরিণ শিকারের গোলাকৃতি ফাঁদগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মোট ৬০০টি ফাঁদ এবং একই স্থানে পাওয়া যায় ১৬টি নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার চারু।

আরও পড়ুন  নিষেধাজ্ঞার আড়ালে সুন্দরবনে চলছে অবাধ লুটপাট

এর আগেও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফাঁদ জব্দ করে বনপ্রহরীরা। গত ৬ জুন ঢাংমারী স্টেশনের হুলার ভারানী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় ৮২টি গোল ফাঁদ। একই দিনে নন্দবালা টহল ফাঁড়ির আওতাধীন সূর্যমুখী খাল এলাকা থেকে জব্দ করা হয় আরও ৫৩টি ফাঁদ। এছাড়া, ১০ জুন সুপতি স্টেশনের শাপলা ক্যাম্পের ছোট সিন্দুক বারিয়া খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে বনরক্ষীরা উদ্ধার করেন হরিণ শিকারের জন্য পাতা ৪৫০টি ফাঁদ।

বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী আরও বলেন, “বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং চোরাশিকার রোধে আমাদের টহল কার্যক্রম প্রতিদিনই চলছে। বন অপরাধ দমনে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। আমাদের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকলে সুন্দরবনের বনসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।”

বনবিভাগের এই নিয়মিত অভিযান ও তৎপরতায় চোরা শিকারিরা যেমন চাপের মুখে পড়েছে, তেমনি বনের প্রাণীজ সম্পদও পাচ্ছে বাড়তি নিরাপত্তা। সুন্দরবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বনবিভাগের এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ৬০০ ফাঁদ ও নিষিদ্ধ কাঁকড়া চারু জব্দ

আপডেট সময় ০৪:৫৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

 

সুন্দরবনের অভ্যন্তরে হরিণ শিকারে ব্যবহৃত প্রায় ৬০০টি ফাঁদ এবং কাঁকড়া ধরার নিষিদ্ধ ১৬টি চারু জব্দ করেছে বনবিভাগ। সোমবার (গতকাল) পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির টিয়ারচর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, দুবলা জেলে পল্লীর পাশে কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির আওতাধীন টিয়ারচর এলাকায় নিয়মিত টহলে ছিলেন বনপ্রহরীরা। নৌকা ও পায়ে হেঁটে দেওয়া ওই টহলের সময় বনের ভেতরে চোরা শিকারীদের পেতে রাখা হরিণ শিকারের গোলাকৃতি ফাঁদগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মোট ৬০০টি ফাঁদ এবং একই স্থানে পাওয়া যায় ১৬টি নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার চারু।

আরও পড়ুন  সুন্দরবনে অপহৃত ৩৩ জেলে ও ৬ নারীকে উদ্ধার করলো কোস্টগার্ড

এর আগেও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফাঁদ জব্দ করে বনপ্রহরীরা। গত ৬ জুন ঢাংমারী স্টেশনের হুলার ভারানী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় ৮২টি গোল ফাঁদ। একই দিনে নন্দবালা টহল ফাঁড়ির আওতাধীন সূর্যমুখী খাল এলাকা থেকে জব্দ করা হয় আরও ৫৩টি ফাঁদ। এছাড়া, ১০ জুন সুপতি স্টেশনের শাপলা ক্যাম্পের ছোট সিন্দুক বারিয়া খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে বনরক্ষীরা উদ্ধার করেন হরিণ শিকারের জন্য পাতা ৪৫০টি ফাঁদ।

বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী আরও বলেন, “বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং চোরাশিকার রোধে আমাদের টহল কার্যক্রম প্রতিদিনই চলছে। বন অপরাধ দমনে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। আমাদের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকলে সুন্দরবনের বনসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।”

বনবিভাগের এই নিয়মিত অভিযান ও তৎপরতায় চোরা শিকারিরা যেমন চাপের মুখে পড়েছে, তেমনি বনের প্রাণীজ সম্পদও পাচ্ছে বাড়তি নিরাপত্তা। সুন্দরবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বনবিভাগের এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।