ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

শিশুর পুষ্টি ও দুগ্ধশিল্পের অগ্রগতিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 127

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ১ জুন, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব দুগ্ধ দিবস’। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০০১ সাল থেকে দুধের পুষ্টিগুণ ও দুগ্ধখাতের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ দিবসটি পালন করে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুধভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ।

বাংলাদেশেও দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজধানীর ফার্মগেটের কেআইবি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

আরও পড়ুন  শিশুদের কান্নায় ভারী ক্রিভি রিহ, রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে নিহত ১৮

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলোও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুগ্ধ পণ্যের বহুমুখীকরণে পরামর্শ ক্যাম্পেইন, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, বিনামূল্যে প্রাণিসম্পদ চিকিৎসাসেবা, কৃমিনাশক ও টিকা বিতরণ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ২০ লাখ দুগ্ধ খামারি রয়েছেন। দুধ উৎপাদনে গত এক দশকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে যেখানে দুধের উৎপাদন ছিল ৫০ লাখ ৭০ হাজার টন, সেখানে ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে হয় ৯২ লাখ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন ১ কোটি ৩০ লাখ টনে পৌঁছায় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ ৫২ হাজার টনে।

তবে চাহিদার দিক থেকে এখনো ঘাটতি রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে তরল দুধের চাহিদা প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৮ হাজার টন। ফলে প্রায় ৪ লাখ টনের ঘাটতি থেকে যায়, যা পূরণে প্রতিবছর আমদানি করা হয় বিপুল পরিমাণ গুঁড়া দুধ।

বর্তমানে দেশে ৮ থেকে ৯ লাখ টন দুধ প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় দই, ঘি, চিজ ও ফ্লেভারড মিল্কসহ বিভিন্ন পণ্য। তবে এখনো অধিকাংশ খামারি তাদের দুধ সরাসরি বাজারে বা মিষ্টির দোকানে বিক্রি করেন।

বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে, হাড় গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধে দুধের অপরিহার্য ভূমিকা নিয়ে ব্যাপকভাবে সচেতনতা ছড়ানো হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে এসে দুধ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে আরও দক্ষতা অর্জনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশুর পুষ্টি ও দুগ্ধশিল্পের অগ্রগতিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস আজ

আপডেট সময় ০৮:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

আজ ১ জুন, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব দুগ্ধ দিবস’। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০০১ সাল থেকে দুধের পুষ্টিগুণ ও দুগ্ধখাতের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ দিবসটি পালন করে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুধভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ।

বাংলাদেশেও দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজধানীর ফার্মগেটের কেআইবি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

আরও পড়ুন  রামুতে বাস-ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ৩ জন নিহত

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলোও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুগ্ধ পণ্যের বহুমুখীকরণে পরামর্শ ক্যাম্পেইন, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, বিনামূল্যে প্রাণিসম্পদ চিকিৎসাসেবা, কৃমিনাশক ও টিকা বিতরণ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ২০ লাখ দুগ্ধ খামারি রয়েছেন। দুধ উৎপাদনে গত এক দশকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে যেখানে দুধের উৎপাদন ছিল ৫০ লাখ ৭০ হাজার টন, সেখানে ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে হয় ৯২ লাখ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন ১ কোটি ৩০ লাখ টনে পৌঁছায় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ ৫২ হাজার টনে।

তবে চাহিদার দিক থেকে এখনো ঘাটতি রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে তরল দুধের চাহিদা প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৮ হাজার টন। ফলে প্রায় ৪ লাখ টনের ঘাটতি থেকে যায়, যা পূরণে প্রতিবছর আমদানি করা হয় বিপুল পরিমাণ গুঁড়া দুধ।

বর্তমানে দেশে ৮ থেকে ৯ লাখ টন দুধ প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় দই, ঘি, চিজ ও ফ্লেভারড মিল্কসহ বিভিন্ন পণ্য। তবে এখনো অধিকাংশ খামারি তাদের দুধ সরাসরি বাজারে বা মিষ্টির দোকানে বিক্রি করেন।

বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে, হাড় গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধে দুধের অপরিহার্য ভূমিকা নিয়ে ব্যাপকভাবে সচেতনতা ছড়ানো হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে এসে দুধ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে আরও দক্ষতা অর্জনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।