ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

শিশুর পুষ্টি ও দুগ্ধশিল্পের অগ্রগতিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 628

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ১ জুন, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব দুগ্ধ দিবস’। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০০১ সাল থেকে দুধের পুষ্টিগুণ ও দুগ্ধখাতের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ দিবসটি পালন করে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুধভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ।

বাংলাদেশেও দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজধানীর ফার্মগেটের কেআইবি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

আরও পড়ুন  ভিমরুলের কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলোও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুগ্ধ পণ্যের বহুমুখীকরণে পরামর্শ ক্যাম্পেইন, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, বিনামূল্যে প্রাণিসম্পদ চিকিৎসাসেবা, কৃমিনাশক ও টিকা বিতরণ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ২০ লাখ দুগ্ধ খামারি রয়েছেন। দুধ উৎপাদনে গত এক দশকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে যেখানে দুধের উৎপাদন ছিল ৫০ লাখ ৭০ হাজার টন, সেখানে ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে হয় ৯২ লাখ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন ১ কোটি ৩০ লাখ টনে পৌঁছায় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ ৫২ হাজার টনে।

তবে চাহিদার দিক থেকে এখনো ঘাটতি রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে তরল দুধের চাহিদা প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৮ হাজার টন। ফলে প্রায় ৪ লাখ টনের ঘাটতি থেকে যায়, যা পূরণে প্রতিবছর আমদানি করা হয় বিপুল পরিমাণ গুঁড়া দুধ।

বর্তমানে দেশে ৮ থেকে ৯ লাখ টন দুধ প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় দই, ঘি, চিজ ও ফ্লেভারড মিল্কসহ বিভিন্ন পণ্য। তবে এখনো অধিকাংশ খামারি তাদের দুধ সরাসরি বাজারে বা মিষ্টির দোকানে বিক্রি করেন।

বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে, হাড় গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধে দুধের অপরিহার্য ভূমিকা নিয়ে ব্যাপকভাবে সচেতনতা ছড়ানো হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে এসে দুধ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে আরও দক্ষতা অর্জনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশুর পুষ্টি ও দুগ্ধশিল্পের অগ্রগতিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস আজ

আপডেট সময় ০৮:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

আজ ১ জুন, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব দুগ্ধ দিবস’। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০০১ সাল থেকে দুধের পুষ্টিগুণ ও দুগ্ধখাতের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ দিবসটি পালন করে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুধভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ।

বাংলাদেশেও দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজধানীর ফার্মগেটের কেআইবি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

আরও পড়ুন  শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে পলাতক বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলোও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুগ্ধ পণ্যের বহুমুখীকরণে পরামর্শ ক্যাম্পেইন, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, বিনামূল্যে প্রাণিসম্পদ চিকিৎসাসেবা, কৃমিনাশক ও টিকা বিতরণ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ২০ লাখ দুগ্ধ খামারি রয়েছেন। দুধ উৎপাদনে গত এক দশকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে যেখানে দুধের উৎপাদন ছিল ৫০ লাখ ৭০ হাজার টন, সেখানে ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে হয় ৯২ লাখ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন ১ কোটি ৩০ লাখ টনে পৌঁছায় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ ৫২ হাজার টনে।

তবে চাহিদার দিক থেকে এখনো ঘাটতি রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে তরল দুধের চাহিদা প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৮ হাজার টন। ফলে প্রায় ৪ লাখ টনের ঘাটতি থেকে যায়, যা পূরণে প্রতিবছর আমদানি করা হয় বিপুল পরিমাণ গুঁড়া দুধ।

বর্তমানে দেশে ৮ থেকে ৯ লাখ টন দুধ প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় দই, ঘি, চিজ ও ফ্লেভারড মিল্কসহ বিভিন্ন পণ্য। তবে এখনো অধিকাংশ খামারি তাদের দুধ সরাসরি বাজারে বা মিষ্টির দোকানে বিক্রি করেন।

বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে, হাড় গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধে দুধের অপরিহার্য ভূমিকা নিয়ে ব্যাপকভাবে সচেতনতা ছড়ানো হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে এসে দুধ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে আরও দক্ষতা অর্জনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।