ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নজরুল ও রিজভীর দায়িত্ব বাড়ল: পেলেন নতুন মন্ত্রণালয় সাকিব ফিরলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়: শান্ত চিলি: আন্দেস থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এক দীর্ঘ দেশ সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রাণ গেল ফায়ার সার্ভিস সদস্যের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ ও ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ সেলের অগ্রগতি পর্যালোচনা আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা থেকে চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে অভিযান চালানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি: সীমান্ত বন্ধে দিশেহারা ২০ লাখ মানুষ দুবাইয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট

ওয়ালটনের হাতে ‘এক্সিলেন্স ইন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’: টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে নতুন মাইলফলক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 265

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের অর্থনীতিতে টেকসই বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘এক্সিলেন্স ইন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে ওয়ালটন। পরিবেশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসনের (ESG) ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এই সম্মাননা প্রদান করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫’-এর উদ্বোধনী আয়োজনে ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, “ওয়ালটন সবসময়ই টেকসই প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। ইলেকট্রনিক্স ও হাইটেক শিল্পে আমাদের বিশাল বিনিয়োগের ফলে দেশের লাখ লাখ মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে।”

তিনি জানান, স্থানীয় উৎপাদনে দেশকে স্বনির্ভর করতে এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে ওয়ালটন প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তে পৌঁছাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে ওয়ালটনের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে ওয়ালটনের প্রতিশ্রুতি সুস্পষ্ট। গাজীপুরে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে ইতোমধ্যেই ৬.৫ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আরও ১৩.৫ মেগাওয়াট প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। ভবিষ্যতে মোট ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে, যা দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি লক্ষ্যপূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে ওয়ালটন নিজেকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিনিয়ত খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। অটোমেশন, স্মার্ট টেকনোলজি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর পণ্যের গবেষণায় ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি বলেন, “একটি সবুজ, কার্বন-নিরপেক্ষ বাংলাদেশ গড়তে সরকার যে ভিশন গ্রহণ করেছে, ওয়ালটন সেই ভিশনের সাথে সম্পূর্ণভাবে একমত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বিনিয়োগে গতি আনার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করাই এই পুরস্কারের মূল লক্ষ্য। বিগত তিন অর্থবছরে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই ওয়ালটন এ বছর অর্জন করল দেশের অন্যতম মর্যাদাসম্পন্ন এই পুরস্কার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়ালটনের হাতে ‘এক্সিলেন্স ইন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’: টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে নতুন মাইলফলক

আপডেট সময় ০৮:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

 

দেশের অর্থনীতিতে টেকসই বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘এক্সিলেন্স ইন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে ওয়ালটন। পরিবেশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসনের (ESG) ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এই সম্মাননা প্রদান করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫’-এর উদ্বোধনী আয়োজনে ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, “ওয়ালটন সবসময়ই টেকসই প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। ইলেকট্রনিক্স ও হাইটেক শিল্পে আমাদের বিশাল বিনিয়োগের ফলে দেশের লাখ লাখ মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে।”

তিনি জানান, স্থানীয় উৎপাদনে দেশকে স্বনির্ভর করতে এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে ওয়ালটন প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তে পৌঁছাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে ওয়ালটনের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে ওয়ালটনের প্রতিশ্রুতি সুস্পষ্ট। গাজীপুরে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে ইতোমধ্যেই ৬.৫ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আরও ১৩.৫ মেগাওয়াট প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। ভবিষ্যতে মোট ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে, যা দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি লক্ষ্যপূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে ওয়ালটন নিজেকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিনিয়ত খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। অটোমেশন, স্মার্ট টেকনোলজি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর পণ্যের গবেষণায় ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি বলেন, “একটি সবুজ, কার্বন-নিরপেক্ষ বাংলাদেশ গড়তে সরকার যে ভিশন গ্রহণ করেছে, ওয়ালটন সেই ভিশনের সাথে সম্পূর্ণভাবে একমত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বিনিয়োগে গতি আনার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করাই এই পুরস্কারের মূল লক্ষ্য। বিগত তিন অর্থবছরে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই ওয়ালটন এ বছর অর্জন করল দেশের অন্যতম মর্যাদাসম্পন্ন এই পুরস্কার।