ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনিয়োগ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার অংশগ্রহণ 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 242

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫’। সম্মেলনের তৃতীয় দিনে, আজ বুধবার, উদ্বোধনী বক্তব্য রাখবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের নিয়ে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ঘিরে বিনিয়োগ সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

সম্মেলনে আজই পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করা হবে মহাকাশ-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে উচ্চগতির আন্তর্জাতিক মানের ইন্টারনেট যুগে। প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এ সেবা চালু হলে দেশের প্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং ডিজিটাল সংযুক্তির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলবে।

আরও পড়ুন  বিডিআর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতেই হবে: প্রধান উপদেষ্টা

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে তুলে ধরবেন বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যকরী উদ্যোগের কথা। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে তিনি আহ্বান জানাবেন। তিনি বলবেন, বাংলাদেশ এখন শুধু শ্রমনির্ভর নয়, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের নতুন গন্তব্য হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

চারদিনব্যাপী এই সম্মেলনের প্রথম দুই দিনে চীন, কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশের পাশাপাশি কিছু আন্তর্জাতিক ব্যাংক বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে বিদেশি বিনিয়োগে সুবিধা দিতে নীতিমালায় শিথিলতা এনেছে, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে নীতি সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। এতে করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ড. ইউনূস আজকের অধিবেশনে ব্যবসা স্থানান্তরের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে বিদেশি উদ্যোক্তাদের সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেবেন। তাঁর উপস্থিতি ও বক্তব্য সম্মেলনকে যেমন গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তা হবে একটি বড় ধাপ।

এই সম্মেলন শুধু বিনিয়োগ নয়, বাংলাদেশকে নতুন করে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ এমনটাই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিনিয়োগ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার অংশগ্রহণ 

আপডেট সময় ১১:৪৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

 

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫’। সম্মেলনের তৃতীয় দিনে, আজ বুধবার, উদ্বোধনী বক্তব্য রাখবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের নিয়ে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ঘিরে বিনিয়োগ সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

সম্মেলনে আজই পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করা হবে মহাকাশ-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে উচ্চগতির আন্তর্জাতিক মানের ইন্টারনেট যুগে। প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এ সেবা চালু হলে দেশের প্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং ডিজিটাল সংযুক্তির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলবে।

আরও পড়ুন  জনসংযোগ ও নিরাপত্তার সমন্বয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে তুলে ধরবেন বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যকরী উদ্যোগের কথা। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে তিনি আহ্বান জানাবেন। তিনি বলবেন, বাংলাদেশ এখন শুধু শ্রমনির্ভর নয়, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের নতুন গন্তব্য হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

চারদিনব্যাপী এই সম্মেলনের প্রথম দুই দিনে চীন, কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশের পাশাপাশি কিছু আন্তর্জাতিক ব্যাংক বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে বিদেশি বিনিয়োগে সুবিধা দিতে নীতিমালায় শিথিলতা এনেছে, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে নীতি সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। এতে করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ড. ইউনূস আজকের অধিবেশনে ব্যবসা স্থানান্তরের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে বিদেশি উদ্যোক্তাদের সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেবেন। তাঁর উপস্থিতি ও বক্তব্য সম্মেলনকে যেমন গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তা হবে একটি বড় ধাপ।

এই সম্মেলন শুধু বিনিয়োগ নয়, বাংলাদেশকে নতুন করে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ এমনটাই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।