টাকা ও জমির হিসাব চাইতেই জামাইকে নির্যাতন, গাছে বেঁধে মারধরের অভিযোগ
- আপডেট সময় ০৪:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
- / 21
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় প্রবাসে উপার্জিত অর্থের হিসাব ও সেই অর্থে কেনা জমি বুঝে নিতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে একটি গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী সোরহাব হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে কর্মরত ছিলেন। প্রবাসে থাকাকালে জমি কেনার উদ্দেশ্যে তিনি ধাপে ধাপে কয়েক লাখ টাকা শ্বশুরপক্ষের কাছে পাঠান। সম্প্রতি দেশে ফিরে ওই অর্থে কেনা সম্পত্তির বিষয়ে জানতে এবং হিসাব বুঝে নিতে শ্বশুরবাড়িতে যান।
অভিযোগে বলা হয়, এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সোরহাব হোসেনকে জোরপূর্বক আটকে রেখে শিকল দিয়ে বেঁধে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী বাদী হয়ে তাঁর স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকের জন্য অভিযান চলছে।
নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় প্রবাসে উপার্জিত অর্থের হিসাব ও সেই অর্থে কেনা জমি বুঝে নিতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে একটি গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী সোরহাব হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে কর্মরত ছিলেন। প্রবাসে থাকাকালে জমি কেনার উদ্দেশ্যে তিনি ধাপে ধাপে কয়েক লাখ টাকা শ্বশুরপক্ষের কাছে পাঠান। সম্প্রতি দেশে ফিরে ওই অর্থে কেনা সম্পত্তির বিষয়ে জানতে এবং হিসাব বুঝে নিতে শ্বশুরবাড়িতে যান।
অভিযোগে বলা হয়, এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সোরহাব হোসেনকে জোরপূর্বক আটকে রেখে শিকল দিয়ে বেঁধে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী বাদী হয়ে তাঁর স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকের জন্য অভিযান চলছে।
নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



















