ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন উত্তরাধিকার সূত্রে সন্তানের শরীর ও মনে মায়ের জিনের প্রভাব কতটুকু ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আল জাজিরার সাংবাদিক মোহাম্মদ উইশাহ নিহত আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ: ট্রাইব্যুনালে হাজির ৬ আসামি ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ রাফিয়া সুলতানা রাফির অকাল প্রয়াণ চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান ‘প্রকৃত চুক্তি’ না মানলে ফের যুদ্ধের হুমকি: ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি শুক্রবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশীয়ার জাহাজ

কুষ্টিয়ায় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1167

ছবি: সংগৃহীত

 

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে নির্বাচনের ফল বিপর্যয়ের ঘটনায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন সংলগ্ন জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দল নেতা কর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার পরাজিত হওয়ায় দলীয় নেতারা নিজ এলাকায় এ নিয়ে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের প্লাটফর্মে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের দুই গ্রুপের মধ্যে তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ দিবস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম ও সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগীর কোরাইশীসহ তাদের নেতাকর্মীরা কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সুমন ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন মুরাদকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সুমনের কর্মী সমর্থকেরা রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে। এসময় স্টেশনের প্লাটফর্মের উপরে চায়ের দোকানে থাকা কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ায় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

আপডেট সময় ১০:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে নির্বাচনের ফল বিপর্যয়ের ঘটনায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন সংলগ্ন জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দল নেতা কর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  আইসিসি’র জেলে থেকেও নির্বাচনী জয়, আবারও ফিলিপাইনের মেয়র রদ্রিগো দুতের্তে

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার পরাজিত হওয়ায় দলীয় নেতারা নিজ এলাকায় এ নিয়ে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের প্লাটফর্মে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের দুই গ্রুপের মধ্যে তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ দিবস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম ও সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগীর কোরাইশীসহ তাদের নেতাকর্মীরা কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সুমন ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন মুরাদকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সুমনের কর্মী সমর্থকেরা রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে। এসময় স্টেশনের প্লাটফর্মের উপরে চায়ের দোকানে থাকা কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।