ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি চোখের নিচের কালো দাগ: নিছক দাগ নাকি বড় কোনো রোগের সংকেত সেন্ট লুসিয়া প্রকৃতি, পাহাড় আর সমুদ্রের মোহনীয় দ্বীপ গৌরনদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল ট্রাক

সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 720

ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ সংগ্রহের সময় কোনো সাংবাদিক বা সংবাদকর্মীর ওপর পুলিশ বা অন্য কোনো ব্যক্তি অকারণে হামলা চালাতে পারে না—এমনটাই বলছে দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধভাবে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিককে বাধা দেওয়া বা শারীরিকভাবে আঘাত করা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার আওতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ফলে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারের পরিপন্থী।

আইনবিদরা জানান, এ ধরনের ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে। দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ৩৫২ ধারায় আক্রমণ বা মারধরের জন্য তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান আছে। এছাড়া ৩৪১ ধারায় বেআইনি বাধা দেওয়ার অপরাধে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনা ও জয় দেশে এসে কথা বলুক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এদিকে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি বা হয়রানির ঘটনায় এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত। এমন ঘটনায় ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি?

আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংবাদ সংগ্রহের সময় কোনো সাংবাদিক বা সংবাদকর্মীর ওপর পুলিশ বা অন্য কোনো ব্যক্তি অকারণে হামলা চালাতে পারে না—এমনটাই বলছে দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধভাবে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিককে বাধা দেওয়া বা শারীরিকভাবে আঘাত করা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার আওতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ফলে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারের পরিপন্থী।

আইনবিদরা জানান, এ ধরনের ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে। দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ৩৫২ ধারায় আক্রমণ বা মারধরের জন্য তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান আছে। এছাড়া ৩৪১ ধারায় বেআইনি বাধা দেওয়ার অপরাধে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে।

আরও পড়ুন  কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর

এদিকে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি বা হয়রানির ঘটনায় এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত। এমন ঘটনায় ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।